
বিডিজেন ডেস্ক

কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে (২২) নির্যাতন ও ধর্ষণ করে ঘরে রাখা সাড়ে ৩ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
গতকাল বুধবার (৮ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর দুর্বৃত্তরা ওই নারী ও তার পরিবারের সদস্যদের হাত–পা বেঁধে রেখে চলে যায়। এরপর সন্ধ্যার দিকে ওই নারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। রাতে এ ঘটনা জানাজানি হলে থানায় মামলা করেন গৃহবধূর স্বামী। মামলার পর পুলিশ রাতভর অভিযান চালালেও জড়িত কাউকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
খবর প্রথম আলোর।
গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা জানান, ওই বাড়িতে কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাওয়া ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ছিল। গতকাল ভোরে দুর্বৃত্তরা বাড়িটিতে হামলা চালিয়ে ওই টাকা লুট করে নিয়ে যায়। লুটপাটের আগে তারা গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। এ নিয়ে পরিবারের সদস্যরা দিনভর আতঙ্কে ছিলেন। ঘটনার পর কী করতে হবে, তারা বুঝে উঠতে পারছিলেন না। পরে স্থানীয় মানুষের সহায়তায় সন্ধ্যায় গৃহবধূকে হাসপাতালে নেন তারা।
মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাহফুজুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ গতকাল সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসেন। পরে চিকিৎসা শেষে রাত ৮টার দিকে ওই গৃহবধূ বাড়িতে চলে যান। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানান।
এদিকে খবর পেয়ে গতকাল রাত ৮টার দিকে তাৎক্ষণিকভাবে একদল পুলিশ নিয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদ ঘটনাস্থলে যান। পরে পাহাড়ি এলাকায় পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়েও এ ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
জানতে চাইলে মহেশখালী থানার ওসি মোহাম্মদ কাইছার হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় গতকাল রাতে অজ্ঞাতনামা ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করেন ওই গৃহবধূর স্বামী। মামলার পর এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ নানাভাবে চেষ্টা করছে।
সূত্র: প্রথম আলো

কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে (২২) নির্যাতন ও ধর্ষণ করে ঘরে রাখা সাড়ে ৩ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
গতকাল বুধবার (৮ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর দুর্বৃত্তরা ওই নারী ও তার পরিবারের সদস্যদের হাত–পা বেঁধে রেখে চলে যায়। এরপর সন্ধ্যার দিকে ওই নারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। রাতে এ ঘটনা জানাজানি হলে থানায় মামলা করেন গৃহবধূর স্বামী। মামলার পর পুলিশ রাতভর অভিযান চালালেও জড়িত কাউকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
খবর প্রথম আলোর।
গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা জানান, ওই বাড়িতে কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাওয়া ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ছিল। গতকাল ভোরে দুর্বৃত্তরা বাড়িটিতে হামলা চালিয়ে ওই টাকা লুট করে নিয়ে যায়। লুটপাটের আগে তারা গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। এ নিয়ে পরিবারের সদস্যরা দিনভর আতঙ্কে ছিলেন। ঘটনার পর কী করতে হবে, তারা বুঝে উঠতে পারছিলেন না। পরে স্থানীয় মানুষের সহায়তায় সন্ধ্যায় গৃহবধূকে হাসপাতালে নেন তারা।
মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাহফুজুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ গতকাল সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসেন। পরে চিকিৎসা শেষে রাত ৮টার দিকে ওই গৃহবধূ বাড়িতে চলে যান। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানান।
এদিকে খবর পেয়ে গতকাল রাত ৮টার দিকে তাৎক্ষণিকভাবে একদল পুলিশ নিয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদ ঘটনাস্থলে যান। পরে পাহাড়ি এলাকায় পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়েও এ ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
জানতে চাইলে মহেশখালী থানার ওসি মোহাম্মদ কাইছার হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় গতকাল রাতে অজ্ঞাতনামা ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করেন ওই গৃহবধূর স্বামী। মামলার পর এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ নানাভাবে চেষ্টা করছে।
সূত্র: প্রথম আলো
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।