
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির দাম্মাম শহরে মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) স্থানীয় সময় দিবাগত রাত ৩টার দিকে (বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর) তার মৃত্যু হয়।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
নিহত যুবক ইসহাক সায়েদ (২১) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবার পৌর এলাকার আড়াইবাড়ি গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে।
নিহত ইসহাক সৌদি আরবে একটি ফুড ডেলিভারি কোম্পানিতে ডেলিভারিম্যান হিসেবে হিসেবে কাজ করতেন।
নিহতের পিতা খোরশেদ আলম জানায়, সংসারের হাল ধরতে জীবিকার তাগিদে গত বছরের আগস্টে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে পাঠান ছেলেকে। রাতে কোম্পানির ডিউটি পালন করতে মোটরসাইকেলে করে ফুড ডেলিভারি করতে যায়। এ সময় সড়কে ট্রাকচাপায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে। সকালে তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছি।
সন্তানের লাশ যেন দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত এনে যেন দাফনের ব্যবস্থা করা যায় কান্নাজড়িত গলায় সরকারের কাছে সেই আবেদন জানান তিনি।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, নিহতের লাশ ফেরত আনার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির দাম্মাম শহরে মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) স্থানীয় সময় দিবাগত রাত ৩টার দিকে (বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর) তার মৃত্যু হয়।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
নিহত যুবক ইসহাক সায়েদ (২১) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবার পৌর এলাকার আড়াইবাড়ি গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে।
নিহত ইসহাক সৌদি আরবে একটি ফুড ডেলিভারি কোম্পানিতে ডেলিভারিম্যান হিসেবে হিসেবে কাজ করতেন।
নিহতের পিতা খোরশেদ আলম জানায়, সংসারের হাল ধরতে জীবিকার তাগিদে গত বছরের আগস্টে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে পাঠান ছেলেকে। রাতে কোম্পানির ডিউটি পালন করতে মোটরসাইকেলে করে ফুড ডেলিভারি করতে যায়। এ সময় সড়কে ট্রাকচাপায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে। সকালে তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছি।
সন্তানের লাশ যেন দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত এনে যেন দাফনের ব্যবস্থা করা যায় কান্নাজড়িত গলায় সরকারের কাছে সেই আবেদন জানান তিনি।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, নিহতের লাশ ফেরত আনার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।