
বিডিজেন ডেস্ক

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এমন বাংলাদেশ গঠন করতে চায়, যেখানে সব সম্প্রদায় ও নাগরিকের সমান অধিকার থাকবে। আজ ১২ অক্টোবর শনিবার বিকেলে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এ কথা জানান তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘শিগগির এমন রাষ্ট্র গঠন করা হবে যা নিয়ে জাতি গর্ব করবে। সত্যিকার অর্থে নতুন বাংলাদেশের জন্য সবাইকে তৈরি হতে আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।
ড. ইউনূস বলেন, ‘এমন সমাজ যেন না হয়, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাহারায় উৎসব করতে হয়। মানুষ এতদিন অধিকার বঞ্চিত ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই যে আপনাদের শান্তি শৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে পূজা উৎসব পালন করার সুযোগ করে দিলাম এটা যে ভবিষ্যতে আর কোনো দিন করতে না হয় সেই জন্য আমরা একযোগে কাজ করব।’
শনিবার বেলা ৩টার দিকে ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনে যান প্রধান উপদেষ্টা। তাঁকে স্বাগত জানান মহানগর পূজা কমিটি এবং পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতারা।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এমন বাংলাদেশ গঠন করতে চায়, যেখানে সব সম্প্রদায় ও নাগরিকের সমান অধিকার থাকবে। আজ ১২ অক্টোবর শনিবার বিকেলে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এ কথা জানান তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘শিগগির এমন রাষ্ট্র গঠন করা হবে যা নিয়ে জাতি গর্ব করবে। সত্যিকার অর্থে নতুন বাংলাদেশের জন্য সবাইকে তৈরি হতে আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।
ড. ইউনূস বলেন, ‘এমন সমাজ যেন না হয়, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাহারায় উৎসব করতে হয়। মানুষ এতদিন অধিকার বঞ্চিত ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই যে আপনাদের শান্তি শৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে পূজা উৎসব পালন করার সুযোগ করে দিলাম এটা যে ভবিষ্যতে আর কোনো দিন করতে না হয় সেই জন্য আমরা একযোগে কাজ করব।’
শনিবার বেলা ৩টার দিকে ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনে যান প্রধান উপদেষ্টা। তাঁকে স্বাগত জানান মহানগর পূজা কমিটি এবং পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতারা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।