বিডিজেন ডেস্ক
দেউলিয়া পরিস্থিতির মধ্যেও শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের অর্থনীতি দ্রুত পুনরুদ্ধার হচ্ছে। আগামী দিনে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এর প্রভাব পড়বে। তবে টানা কয়েক বছর ৫ শতাংশের ওপরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হলেও বাংলাদেশে এবার নিচে নেমে আসবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত ‘সাউথ এশিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেট’-এ (অক্টোবর সংখ্যা) এই পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি শ্লথ হয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ২ শতাংশের মধ্যে থাকবে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, মধ্যবর্তী পয়েন্ট হবে ৪ শতাংশ। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য বিশ্বব্যাংক এপ্রিলে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল।
বর্তমান অর্থবছরের বাজেটে আওয়ামী লীগ সরকার ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। সেই হিসাবে বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস সরকারি লক্ষ্যের চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কম। বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী কমে গেলে তা হবে কোভিড মহামারির পর সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।
চলতি অর্থবছরের পূর্বাভাস কমানোর পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলনও কমিয়ে ৫ দশমিক ২ শতাংশে নামিয়েছে। গত অর্থবছরের জন্য সরকারের সাময়িক প্রাক্কলন ছিল ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।
প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলেছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোয় নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যানের অনুপস্থিতি এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রতিফলন ঘটেছে পূর্বাভাসে। এ কারণে স্বল্প মেয়াদে বিনিয়োগ ও শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি বাড়ার সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে বন্যার কারণে কৃষি উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তবে মধ্য থেকে দীর্ঘ মেয়াদে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছে বিশ্বব্যাংক। সরকারের সংস্কার কর্মসূচির ফলে প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে মনে করে সংস্থাটি। আর্থিক খাতে সংস্কার, অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে রাজস্ব বাড়ানোর পদক্ষেপ, ব্যবসার পরিবেশের উন্নতি ও বাণিজ্য চাঙা হওয়ার বিষয়গুলো বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে বিশ্বব্যাংক।
সার্বিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে মনে করে বিশ্বব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, চলতি বছরে এই অঞ্চলে প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ, যা তাদের আগে করা পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। এর ফলে এই অঞ্চল অর্থনীতির দিকে থেকে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অঞ্চলে পরিণত হওয়ার ধারা বজায় রাখবে।
অন্যদিকে ২০২৫ সালের মার্চে সমাপ্য চলতি অর্থবছরের জন্য ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস এপ্রিলের ৬ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ ধরা হয়েছে। কৃষি উৎপাদনে ঘুরে দাঁড়ানো ও ব্যক্তিগত ভোগ বাড়ার ফলে প্রতিবেশী দেশটিতে প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে বিশ্ব ব্যাংকের বিশ্লেষণ।
বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইসার রয়টার্সকে বলেন, উদীয়মান ভোক্তা শ্রেণী ভারতের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আর শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান অর্থনীতির সংকট কাটছে। এদিকে পর্যটনের ভর করে নেপাল ও ভুটানের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথে রয়েছে।
পূর্বাভাসের ঊর্ধ্বমুখী সংশোধনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংকের কাছে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত। এই অঞ্চলে সামনের দুই বছরে ৬ দশমি ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে সংস্থাটির পূর্বাভাস।
রাইসার বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চললে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য উর্ধ্বমুখী সম্ভাবনা রয়েছে। তবে গতি বজায় রাখতে দেশগুলোকে অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিতে লেগে থাকতে হবে।
৯ অক্টোবর (বুধবার) চলতি অর্থবছরের জন্য ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭ দশমিক ২ শতাংশ বজায় রেখেছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিশ্বব্যাংকের ধারণা, উৎপাদনে গতি ও মুদ্রানীতি সহজ করার ফলে চলতি অর্থবছর পাকিস্তানের অর্থনীতি ২ দশমিক ৮ শতাংশ হারে বাড়বে, যা আগের পূর্বাভাস ২ দশমিক ৩ শতাংশের চেয়ে বেশি।
সার্বভৌম ঋণ খেলাপি ও কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে হামাগুড়ি দিয়ে বের হতে থাকা শ্রীলঙ্কার প্রবৃদ্ধির বড় ঊর্ধ্বমুখী সংশোধন হয়েছে। এ বছর দেশটির প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৪ শতাংশ ও ২০২৫ সালে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হবে বলে আশা করছে।
আর চলতি অর্থবছরের জন্য নেপালের প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ১ শতাংশ এবং ভুটানের প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলে বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস।
দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রমশক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ ৩২ শতাংশ, যা বিশ্বের মধ্যে সর্বনিম্ন। এই অঞ্চলে নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ বাড়ানো উচিত বলে সুপারিশ করেছে বিশ্বব্যাংক। রাইসার বলেন, ‘শ্রমশক্তিতে আরও বেশি নারীকে আনার ফলে উৎপাদন সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।’
দেউলিয়া পরিস্থিতির মধ্যেও শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের অর্থনীতি দ্রুত পুনরুদ্ধার হচ্ছে। আগামী দিনে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এর প্রভাব পড়বে। তবে টানা কয়েক বছর ৫ শতাংশের ওপরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হলেও বাংলাদেশে এবার নিচে নেমে আসবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত ‘সাউথ এশিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেট’-এ (অক্টোবর সংখ্যা) এই পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি শ্লথ হয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ২ শতাংশের মধ্যে থাকবে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, মধ্যবর্তী পয়েন্ট হবে ৪ শতাংশ। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য বিশ্বব্যাংক এপ্রিলে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল।
বর্তমান অর্থবছরের বাজেটে আওয়ামী লীগ সরকার ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। সেই হিসাবে বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস সরকারি লক্ষ্যের চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কম। বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী কমে গেলে তা হবে কোভিড মহামারির পর সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।
চলতি অর্থবছরের পূর্বাভাস কমানোর পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলনও কমিয়ে ৫ দশমিক ২ শতাংশে নামিয়েছে। গত অর্থবছরের জন্য সরকারের সাময়িক প্রাক্কলন ছিল ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।
প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলেছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোয় নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যানের অনুপস্থিতি এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রতিফলন ঘটেছে পূর্বাভাসে। এ কারণে স্বল্প মেয়াদে বিনিয়োগ ও শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি বাড়ার সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে বন্যার কারণে কৃষি উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তবে মধ্য থেকে দীর্ঘ মেয়াদে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছে বিশ্বব্যাংক। সরকারের সংস্কার কর্মসূচির ফলে প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে মনে করে সংস্থাটি। আর্থিক খাতে সংস্কার, অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে রাজস্ব বাড়ানোর পদক্ষেপ, ব্যবসার পরিবেশের উন্নতি ও বাণিজ্য চাঙা হওয়ার বিষয়গুলো বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে বিশ্বব্যাংক।
সার্বিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে মনে করে বিশ্বব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, চলতি বছরে এই অঞ্চলে প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ, যা তাদের আগে করা পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। এর ফলে এই অঞ্চল অর্থনীতির দিকে থেকে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অঞ্চলে পরিণত হওয়ার ধারা বজায় রাখবে।
অন্যদিকে ২০২৫ সালের মার্চে সমাপ্য চলতি অর্থবছরের জন্য ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস এপ্রিলের ৬ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ ধরা হয়েছে। কৃষি উৎপাদনে ঘুরে দাঁড়ানো ও ব্যক্তিগত ভোগ বাড়ার ফলে প্রতিবেশী দেশটিতে প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে বিশ্ব ব্যাংকের বিশ্লেষণ।
বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইসার রয়টার্সকে বলেন, উদীয়মান ভোক্তা শ্রেণী ভারতের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আর শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান অর্থনীতির সংকট কাটছে। এদিকে পর্যটনের ভর করে নেপাল ও ভুটানের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথে রয়েছে।
পূর্বাভাসের ঊর্ধ্বমুখী সংশোধনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংকের কাছে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত। এই অঞ্চলে সামনের দুই বছরে ৬ দশমি ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে সংস্থাটির পূর্বাভাস।
রাইসার বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চললে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য উর্ধ্বমুখী সম্ভাবনা রয়েছে। তবে গতি বজায় রাখতে দেশগুলোকে অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিতে লেগে থাকতে হবে।
৯ অক্টোবর (বুধবার) চলতি অর্থবছরের জন্য ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭ দশমিক ২ শতাংশ বজায় রেখেছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিশ্বব্যাংকের ধারণা, উৎপাদনে গতি ও মুদ্রানীতি সহজ করার ফলে চলতি অর্থবছর পাকিস্তানের অর্থনীতি ২ দশমিক ৮ শতাংশ হারে বাড়বে, যা আগের পূর্বাভাস ২ দশমিক ৩ শতাংশের চেয়ে বেশি।
সার্বভৌম ঋণ খেলাপি ও কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে হামাগুড়ি দিয়ে বের হতে থাকা শ্রীলঙ্কার প্রবৃদ্ধির বড় ঊর্ধ্বমুখী সংশোধন হয়েছে। এ বছর দেশটির প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৪ শতাংশ ও ২০২৫ সালে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হবে বলে আশা করছে।
আর চলতি অর্থবছরের জন্য নেপালের প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ১ শতাংশ এবং ভুটানের প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলে বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস।
দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রমশক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ ৩২ শতাংশ, যা বিশ্বের মধ্যে সর্বনিম্ন। এই অঞ্চলে নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ বাড়ানো উচিত বলে সুপারিশ করেছে বিশ্বব্যাংক। রাইসার বলেন, ‘শ্রমশক্তিতে আরও বেশি নারীকে আনার ফলে উৎপাদন সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।’
১১তম গ্রেডে বেতন এবং প্রধান শিক্ষকের শতভাগ পদে পদোন্নতি ও উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার জটিলতা নিরসনের দাবিতে মহাসমাবেশে জড়ো হয়েছেন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকেরা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা চূড়ান্তকরণ, রাজনৈতিক দল নিবন্ধনসহ নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ কাজের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরেই একটি মহল গণতন্ত্রকামী শক্তির বিরুদ্ধে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, নির্বাচন বানচালে কিছু রাজনৈতিক দল অযৌক্তিক দাবি তুলে ধরছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরেরও কিছু লোক চাচ্ছে গণতান্ত্রিক সরকার যেন ক্ষমতায় না আসতে পারে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরেই একটি মহল গণতন্ত্রকামী শক্তির বিরুদ্ধে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, নির্বাচন বানচালে কিছু রাজনৈতিক দল অযৌক্তিক দাবি তুলে ধরছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরেরও কিছু লোক চাচ্ছে গণতান্ত্রিক সরকার যেন ক্ষমতায় না আসতে পারে।’
৪ দিন আগে