
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আবদুল্লাহ আল মামুন।
মৃত মামুন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে ছেলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন তিনি।
মামুনের বাবা শহীদ সওদাগর জানান, ৮ মার্চ ইফতারের আগমুহূর্তে আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে থাকা মামুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গুরুতর আহত হন। এর পর থেকে মামুন একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সৌদি আরব সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে লাইফ সাপোর্টে থাকা মামুনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শহীদ সওদাগর তার ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
জানা গেছে, আবদুল্লাহ আল মামুনের একটি ছেলেসন্তান আছে।
৮ মার্চের ওই হামলায় কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেন নিহত হন। মামুন মিয়াসহ বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি আহত হন।

সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আবদুল্লাহ আল মামুন।
মৃত মামুন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে ছেলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন তিনি।
মামুনের বাবা শহীদ সওদাগর জানান, ৮ মার্চ ইফতারের আগমুহূর্তে আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে থাকা মামুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গুরুতর আহত হন। এর পর থেকে মামুন একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সৌদি আরব সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে লাইফ সাপোর্টে থাকা মামুনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শহীদ সওদাগর তার ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
জানা গেছে, আবদুল্লাহ আল মামুনের একটি ছেলেসন্তান আছে।
৮ মার্চের ওই হামলায় কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেন নিহত হন। মামুন মিয়াসহ বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি আহত হন।
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে একটি বৈদ্যুতিক প্যানেল বোর্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন ইব্রাহিম। কাজের একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে থাকা উচ্চক্ষমতার সার্কিট ব্রেকারে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি ইলেকট্রিক্যাল আর্ক ব্লাস্ট ঘটে।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা।
দুই পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেওয়ার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, দক্ষতার সনদায়ন জোরদার করা এবং কর্মীরা যাতে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন তা নিশ্চিত করা।”