
প্রতিবেদক, বিডিজেন

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে গেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ রোববার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হন তিনি।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরে একটি ক্লিনিকে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখাবেন মির্জা ফখরুল ও তাঁর স্ত্রী। ইতিমধ্যে ডাক্তারদের অ্যাপয়েন্টমেন্টও নেওয়া হয়েছে। এক সপ্তাহ পর বিএনপি মহাসচিব দেশে ফিরবেন।
৭৭ বছর বয়সী মির্জা ফখরুল এর আগেও সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা করিয়েছিলেন। সর্বশেষ গত ১ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সস্ত্রীক সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন।
২০১৫ সালে কারাবন্দী অবস্থায় বিএনপি মহাসচিবের ঘাড়ের ইন্টারনাল ক্যারোটিড আর্টারিতে ব্লক ধরা পড়লে মুক্তির পর সিঙ্গাপুরে গিয়ে চিকিৎসা করান তিনি। এরপর প্রতিবছরই ফলোআপ চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে যেতে হয়।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে গেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ রোববার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হন তিনি।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরে একটি ক্লিনিকে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখাবেন মির্জা ফখরুল ও তাঁর স্ত্রী। ইতিমধ্যে ডাক্তারদের অ্যাপয়েন্টমেন্টও নেওয়া হয়েছে। এক সপ্তাহ পর বিএনপি মহাসচিব দেশে ফিরবেন।
৭৭ বছর বয়সী মির্জা ফখরুল এর আগেও সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা করিয়েছিলেন। সর্বশেষ গত ১ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সস্ত্রীক সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন।
২০১৫ সালে কারাবন্দী অবস্থায় বিএনপি মহাসচিবের ঘাড়ের ইন্টারনাল ক্যারোটিড আর্টারিতে ব্লক ধরা পড়লে মুক্তির পর সিঙ্গাপুরে গিয়ে চিকিৎসা করান তিনি। এরপর প্রতিবছরই ফলোআপ চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে যেতে হয়।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।