
বিডিজেন ডেস্ক

জীবিকার তাগিদে দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ফেনীর দাগনভূঞার যুবক একরামুল হকের (৩৪)। সোমবার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাতে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি দাগনভূঞা পৌরসভার উদরাজপুর গ্রামের মজিবুল হকের ছেলে। তার চাচাতো ভাই শহিদ উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
খবর আজকের পত্রিকার।
পারিবারিক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছান একরামুল। পরদিন রোববার আফ্রিকার পুমালাঙ্গা প্রদেশের ডেলমাসে ১৯ জন বাংলাদেশি একটি মাইক্রোবাসে যাচ্ছিলেন। মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের নুরুল আমিন ও মানিকগঞ্জ জেলার নাঈম আহমেদ নামে দুই প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় একরামুল হককে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এক দিন পরে অর্থাৎ, সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
একরামুলের চাচাতো ভাই সহিদ উল্লাহ বলেন, ‘রোববারে সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি আমরা জানতে পারি। গতকাল রাত ১টার দিকে (বাংলাদেশ সময়) আফ্রিকা থেকে তাঁর মৃত্যুর খবর আসে।’ তিনি জানান, মৃত একরামুল হক চার ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর ৩ বছরের একটি মেয়ে ও চার মাসের একটি ছেলেসন্তান রয়েছে।
এদিকে সরেজমিনে দেখা যায়, মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে তাঁর মা পেয়ারা বেগম ‘আমার ছেলেকে এনে দাও’ বলে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। অন্যদিকে তাঁর বৃদ্ধ বাবা শুয়ে ছেলের শোকে কান্না করছেন।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি।’

জীবিকার তাগিদে দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ফেনীর দাগনভূঞার যুবক একরামুল হকের (৩৪)। সোমবার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাতে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি দাগনভূঞা পৌরসভার উদরাজপুর গ্রামের মজিবুল হকের ছেলে। তার চাচাতো ভাই শহিদ উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
খবর আজকের পত্রিকার।
পারিবারিক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছান একরামুল। পরদিন রোববার আফ্রিকার পুমালাঙ্গা প্রদেশের ডেলমাসে ১৯ জন বাংলাদেশি একটি মাইক্রোবাসে যাচ্ছিলেন। মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের নুরুল আমিন ও মানিকগঞ্জ জেলার নাঈম আহমেদ নামে দুই প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় একরামুল হককে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এক দিন পরে অর্থাৎ, সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
একরামুলের চাচাতো ভাই সহিদ উল্লাহ বলেন, ‘রোববারে সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি আমরা জানতে পারি। গতকাল রাত ১টার দিকে (বাংলাদেশ সময়) আফ্রিকা থেকে তাঁর মৃত্যুর খবর আসে।’ তিনি জানান, মৃত একরামুল হক চার ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর ৩ বছরের একটি মেয়ে ও চার মাসের একটি ছেলেসন্তান রয়েছে।
এদিকে সরেজমিনে দেখা যায়, মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে তাঁর মা পেয়ারা বেগম ‘আমার ছেলেকে এনে দাও’ বলে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। অন্যদিকে তাঁর বৃদ্ধ বাবা শুয়ে ছেলের শোকে কান্না করছেন।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি।’
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে নানা অভিযোগ ও সংকটে বৈদেশিক শ্রমবাজার সংকুচিত হয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসের পর থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এর আগেও নানা অভিযোগের কারণে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।