
বিডিজেন ডেস্ক

অতিরিক্ত মুঠোফোন ব্যবহার করা নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হবিগঞ্জে এক ব্যক্তি তার কিশোরী মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খবর প্রথম আলোর।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে জেলার মাধবপুর উপজেলার ঘনশ্যামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ নিহত কিশোরীর বাবাকে আটক করেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মাধবপুরের ঘনশ্যামপুর গ্রামের মঈন উদ্দিনের মেয়ে রানু বেগম (১৫) পড়াশোনার বদলে প্রতিদিন মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকত। এ নিয়ে তার বাবা মঈন উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে অসন্তুষ্ট ছিলেন। তিনি মেয়েকে মুঠোফোন ব্যবহার থেকে সব সময় বিরত থাকতে বলতেন। বুধবার বেলা ৩টার দিকে মঈন উদ্দিন কাজ শেষে বাড়িতে এসে দেখেন, তাঁর মেয়ে মুঠোফোনে কথা বলছে। এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তিনি। একপর্যায়ে ঘরে থাকা একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে মেয়েকে কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় রানু।
এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ নিহত কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পাশাপাশি নিহত কিশোরীর বাবা মঈন উদ্দিনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। মঈন উদ্দিন দুই বছর আগে দুবাই থেকে দেশে ফেরেন। তাঁর তিন ছেলে ও দুই মেয়ে।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মঈন উদ্দিনের মেয়ে রানু প্রায় সময়ই মুঠোফোনে অতিরিক্ত কথা বলত। তিনি তাকে মুঠোফোন ব্যবহারে নিষেধ করেন। আজ (বুধবার) বিকেলে বাড়িতে ফিরে মেয়েকে ফোনালাপ করতে দেখে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটান। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সূত্র: প্রথম আলো

অতিরিক্ত মুঠোফোন ব্যবহার করা নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হবিগঞ্জে এক ব্যক্তি তার কিশোরী মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খবর প্রথম আলোর।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে জেলার মাধবপুর উপজেলার ঘনশ্যামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ নিহত কিশোরীর বাবাকে আটক করেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মাধবপুরের ঘনশ্যামপুর গ্রামের মঈন উদ্দিনের মেয়ে রানু বেগম (১৫) পড়াশোনার বদলে প্রতিদিন মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকত। এ নিয়ে তার বাবা মঈন উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে অসন্তুষ্ট ছিলেন। তিনি মেয়েকে মুঠোফোন ব্যবহার থেকে সব সময় বিরত থাকতে বলতেন। বুধবার বেলা ৩টার দিকে মঈন উদ্দিন কাজ শেষে বাড়িতে এসে দেখেন, তাঁর মেয়ে মুঠোফোনে কথা বলছে। এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তিনি। একপর্যায়ে ঘরে থাকা একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে মেয়েকে কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় রানু।
এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ নিহত কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পাশাপাশি নিহত কিশোরীর বাবা মঈন উদ্দিনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। মঈন উদ্দিন দুই বছর আগে দুবাই থেকে দেশে ফেরেন। তাঁর তিন ছেলে ও দুই মেয়ে।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মঈন উদ্দিনের মেয়ে রানু প্রায় সময়ই মুঠোফোনে অতিরিক্ত কথা বলত। তিনি তাকে মুঠোফোন ব্যবহারে নিষেধ করেন। আজ (বুধবার) বিকেলে বাড়িতে ফিরে মেয়েকে ফোনালাপ করতে দেখে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটান। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সূত্র: প্রথম আলো
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি