
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদিপ্রবাসী মোহাম্মদ মোসলেম মুসার (৩২) তিন মাস আগে ফোনে বিয়ে হয়েছিল। চলতি মাসের ২৩ তারিখে দেশে আসার কথা ছিল তার। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে তাকে চলে যেতে হয়েছে পরপারে। ৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) তার মৃত্যু হয়।
খবর আজকের পত্রিকার।
স্থানীয় সময় বেলা ৩টার দিকে (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা) সৌদি আরবের একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় মোহাম্মদ মোসলেম মুসার। ৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে সৌদি-কুয়েত সীমান্ত এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন তিনি। মুসা বরগুনা জেলার পাথরঘাটার বাসিন্দা।
মুসার বড় ভাই সৌদিপ্রবাসী মোহাম্মদ হিরু মিয়া আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ৮ বছর আগে মুসা সৌদি আরবে আসেন। তিনি সৌদি আরবে গাড়ি কিনে ভাড়ায় চালাতেন। গত শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রিয়াদ থেকে এক যাত্রী নিয়ে কুয়েত সীমান্তের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা এক সৌদি নাগরিকের গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তাতে ঘটনাস্থলেই সেই যাত্রী নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় মুসাকে উদ্ধার করে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মুসার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ৩ মাস আগে পাথরঘাটার কাকচিড়া ইউনিয়নের বাইনচুকটি এলাকার এক সৌদিপ্রবাসীর মেয়ের সঙ্গে পারিবারিক সম্মতিতে মোবাইল ফোনে বিয়ে হয় মুসার। এ মাসের ২৩ তারিখ মুসার দেশে এসে বিয়ের বাকি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে নববধূকে বাড়িতে তুলে আনার কথা ছিল। সে অনুযায়ী বিমানের টিকিটও কাটা ছিল তার।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

সৌদিপ্রবাসী মোহাম্মদ মোসলেম মুসার (৩২) তিন মাস আগে ফোনে বিয়ে হয়েছিল। চলতি মাসের ২৩ তারিখে দেশে আসার কথা ছিল তার। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে তাকে চলে যেতে হয়েছে পরপারে। ৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) তার মৃত্যু হয়।
খবর আজকের পত্রিকার।
স্থানীয় সময় বেলা ৩টার দিকে (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা) সৌদি আরবের একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় মোহাম্মদ মোসলেম মুসার। ৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে সৌদি-কুয়েত সীমান্ত এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন তিনি। মুসা বরগুনা জেলার পাথরঘাটার বাসিন্দা।
মুসার বড় ভাই সৌদিপ্রবাসী মোহাম্মদ হিরু মিয়া আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ৮ বছর আগে মুসা সৌদি আরবে আসেন। তিনি সৌদি আরবে গাড়ি কিনে ভাড়ায় চালাতেন। গত শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রিয়াদ থেকে এক যাত্রী নিয়ে কুয়েত সীমান্তের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা এক সৌদি নাগরিকের গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তাতে ঘটনাস্থলেই সেই যাত্রী নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় মুসাকে উদ্ধার করে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মুসার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ৩ মাস আগে পাথরঘাটার কাকচিড়া ইউনিয়নের বাইনচুকটি এলাকার এক সৌদিপ্রবাসীর মেয়ের সঙ্গে পারিবারিক সম্মতিতে মোবাইল ফোনে বিয়ে হয় মুসার। এ মাসের ২৩ তারিখ মুসার দেশে এসে বিয়ের বাকি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে নববধূকে বাড়িতে তুলে আনার কথা ছিল। সে অনুযায়ী বিমানের টিকিটও কাটা ছিল তার।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে স্থানীয় আকুনি মাদরাসা মাঠে হাজারও মানুষের উপস্থিতিতে সম্মিলিত জানাজা শেষে নিজ নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাদের সমাহিত করা হয়।
আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এ সময় প্রিয়জন হারানো স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরি হয়।
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে একটি বৈদ্যুতিক প্যানেল বোর্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন ইব্রাহিম। কাজের একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে থাকা উচ্চক্ষমতার সার্কিট ব্রেকারে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি ইলেকট্রিক্যাল আর্ক ব্লাস্ট ঘটে।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা।