
বিডিজেন ডেস্ক

কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ৪০টি থিয়েটারে আজ শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) মুক্তি পাচ্ছে ঈদের সিনেমা জংলি। স্বপ্ন স্কেয়ারক্রোর পরিবেশনায় ঈদের সিনেমাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি থিয়েটারে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।
খবর দ্য ডেইলি স্টারের।
প্রথম সপ্তাহে কানাডার ৫টি, যুক্তরাষ্ট্রের ২৮টি ও যুক্তরাজ্যের ৭টি থিয়েটারে চলবে সিনেমাটি। যুক্তরাজ্যের স্বপ্ন স্কেয়ারক্রোর সঙ্গে যৌথভাবে পরিবেশনা করছে রিভেরি ফিল্মস।
পরিবেশক স্বপ্ন স্কেয়ারক্রোর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ অলিউল্লাহ সজীব বলেছেন, 'বছরের এই সময়ে হলিউড এবং বলিউডের সিনেমার চাপ থাকে ওয়ার্ল্ড মার্কেটে। তবে ভালো শুরু পেলে, পরের সপ্তাহে এখান থেকে অনেক স্ক্রিন ধরে রাখতে পারবে জংলি।'
এম রাহিম পরিচালিত জংলি সিনেমায় অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, শবনম বুবলি, দিঘী, শিশু শিল্পী নৈঋতা।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার

কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ৪০টি থিয়েটারে আজ শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) মুক্তি পাচ্ছে ঈদের সিনেমা জংলি। স্বপ্ন স্কেয়ারক্রোর পরিবেশনায় ঈদের সিনেমাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি থিয়েটারে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।
খবর দ্য ডেইলি স্টারের।
প্রথম সপ্তাহে কানাডার ৫টি, যুক্তরাষ্ট্রের ২৮টি ও যুক্তরাজ্যের ৭টি থিয়েটারে চলবে সিনেমাটি। যুক্তরাজ্যের স্বপ্ন স্কেয়ারক্রোর সঙ্গে যৌথভাবে পরিবেশনা করছে রিভেরি ফিল্মস।
পরিবেশক স্বপ্ন স্কেয়ারক্রোর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ অলিউল্লাহ সজীব বলেছেন, 'বছরের এই সময়ে হলিউড এবং বলিউডের সিনেমার চাপ থাকে ওয়ার্ল্ড মার্কেটে। তবে ভালো শুরু পেলে, পরের সপ্তাহে এখান থেকে অনেক স্ক্রিন ধরে রাখতে পারবে জংলি।'
এম রাহিম পরিচালিত জংলি সিনেমায় অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, শবনম বুবলি, দিঘী, শিশু শিল্পী নৈঋতা।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “মরদেহ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য মায়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির বিষয়ে চলমান তদন্ত-অনুসন্ধানকারী ও অন্য আমেরিকান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দূতাবাস ও কনস্যুলেট নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।”
শামা ওবায়েদ আশা প্রকাশ করেন, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করবে এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের বিচারের আওতায় আনবে।
সেমিনারে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনতাত্ত্বিক লভ্যাংশের সুবর্ণ সময়ে অবস্থান করছে। আমাদের এই বিশাল কর্মক্ষম জনশক্তিকে কেবল শ্রমিক হিসেবে নয়, বরং উন্নত জ্ঞান ও দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করে বিশ্ববাজারে পাঠাতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাপোর্টিং দ্য ট্রানজিশন টুওয়ার্ডস এ সাসটেইনেবল বায়োইকোনমি ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক রেজুলেশনটি বাংলাদেশের উদ্যোগে উত্থাপিত হয় এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে গৃহীত হয়। যা এ অঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।