
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র।
ঢাকার আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস গতকাল সোমবার (২ মার্চ) এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে।
ওই পোস্টে বলা হয়, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ওই সিদ্ধান্ত গত ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে। কারণ ব্যাখ্যা করে দূতাবাস বলেছে, ‘যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা নেন, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য। এই স্থগিতাদেশ ভিজিটর ভিসার জন্য প্রযোজ্য নয়।’
দূতাবাস বলছে, ভিসা দেওয়া আপাতত বন্ধ থাকলেও এসব দেশের নাগরিকেরা অভিবাসী ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং নির্ধারিত সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন। পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র।
ঢাকার আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস গতকাল সোমবার (২ মার্চ) এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে।
ওই পোস্টে বলা হয়, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ওই সিদ্ধান্ত গত ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে। কারণ ব্যাখ্যা করে দূতাবাস বলেছে, ‘যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা নেন, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য। এই স্থগিতাদেশ ভিজিটর ভিসার জন্য প্রযোজ্য নয়।’
দূতাবাস বলছে, ভিসা দেওয়া আপাতত বন্ধ থাকলেও এসব দেশের নাগরিকেরা অভিবাসী ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং নির্ধারিত সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন। পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে একটি বৈদ্যুতিক প্যানেল বোর্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন ইব্রাহিম। কাজের একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে থাকা উচ্চক্ষমতার সার্কিট ব্রেকারে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি ইলেকট্রিক্যাল আর্ক ব্লাস্ট ঘটে।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা।
দুই পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেওয়ার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, দক্ষতার সনদায়ন জোরদার করা এবং কর্মীরা যাতে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন তা নিশ্চিত করা।”