
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশে সব রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষের অধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে বৈশ্বিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) অ্যামনেস্টি দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক অফিস এক পোস্টে বলেছে, ‘জিরো পয়েন্টে রোববার আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই দ্রুততম সময়ের ভেতর ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অপরাধীদের জবাবদিহিতায় আনতে হবে।’
এই পোস্টে অ্যামনেস্টি বলছে, ‘রাজনৈতিক বিশ্বাসের জন্য কাউকে আক্রমণ করা তার স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকারের লঙ্ঘন।’
কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নির্বিশেষে সবার অধিকার রক্ষা করতে হবে, এমন পরামর্শ দেওয়া হয়েছে পোস্টে।
রোববার (১০ নভেম্বর) শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে নূর হোসেন চত্বরে নেতা-কর্মীদের জড়ো হয়ে মিছিল করার আহ্বান জানিয়েছিল। আওয়ামী লীগের ফেসবুকের পোস্ট দিয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রোববার নূর হোসেন চত্বর ও বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও মারধরের ঘটনা ঘটে।

বাংলাদেশে সব রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষের অধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে বৈশ্বিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) অ্যামনেস্টি দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক অফিস এক পোস্টে বলেছে, ‘জিরো পয়েন্টে রোববার আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই দ্রুততম সময়ের ভেতর ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অপরাধীদের জবাবদিহিতায় আনতে হবে।’
এই পোস্টে অ্যামনেস্টি বলছে, ‘রাজনৈতিক বিশ্বাসের জন্য কাউকে আক্রমণ করা তার স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকারের লঙ্ঘন।’
কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নির্বিশেষে সবার অধিকার রক্ষা করতে হবে, এমন পরামর্শ দেওয়া হয়েছে পোস্টে।
রোববার (১০ নভেম্বর) শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে নূর হোসেন চত্বরে নেতা-কর্মীদের জড়ো হয়ে মিছিল করার আহ্বান জানিয়েছিল। আওয়ামী লীগের ফেসবুকের পোস্ট দিয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রোববার নূর হোসেন চত্বর ও বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।