
বিডিজেন ডেস্ক

লেবানন থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ৬৫ প্রবাসী বাংলাদেশি বুধবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তারা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, বৈরুত, লেবানন এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় সম্পূর্ণ সরকারি খরচে দেশে ফেরেন তারা।
আইওএমের পক্ষ থেকে ফিরে আসা প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা, কিছু খাদ্য ও প্রাথমিক মেডিকেল চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
এ ছাড়া, আরও ৩১ বাংলাদেশি দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে।
ফেরত বাংলাদেশিদের সঙ্গে বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক মোস্তফা জামিল খান তাদের খোঁজ খবর নেন।
লেবাননে ১ হাজার ৮০০ বাংলাদেশি দেশে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস দেশে ফিরে আসতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের নিরাপদে প্রত্যাবর্তনের জন্য কাজ করছে।
এ ছাড়া, সেখানে অবস্থানরত যেসব বাংলাদেশি ফিরে আসতে অনিচ্ছুক তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে।

লেবানন থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ৬৫ প্রবাসী বাংলাদেশি বুধবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তারা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, বৈরুত, লেবানন এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় সম্পূর্ণ সরকারি খরচে দেশে ফেরেন তারা।
আইওএমের পক্ষ থেকে ফিরে আসা প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা, কিছু খাদ্য ও প্রাথমিক মেডিকেল চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
এ ছাড়া, আরও ৩১ বাংলাদেশি দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে।
ফেরত বাংলাদেশিদের সঙ্গে বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক মোস্তফা জামিল খান তাদের খোঁজ খবর নেন।
লেবাননে ১ হাজার ৮০০ বাংলাদেশি দেশে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস দেশে ফিরে আসতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের নিরাপদে প্রত্যাবর্তনের জন্য কাজ করছে।
এ ছাড়া, সেখানে অবস্থানরত যেসব বাংলাদেশি ফিরে আসতে অনিচ্ছুক তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে।
স্বাগত বক্তব্যে পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের বলেন, পিকেএসএফ এবং এর সহযোগী সংস্থাসমূহে কর্মরত নারীসহ সকল কর্মীর জন্য একটি নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
দূতাবাসগুলো বলেছে, আবেদনকারীকে অবশ্যই মূল এবং অপরিবর্তিত কাগজপত্র জমা দিতে হবে। কোনো ধরনের জাল নথি বা ভুয়া তথ্য জমা দিলে তা শুধু আবেদন বাতিল করবে না, বরং ভবিষ্যতে আবেদনকারীর ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
দূতাবাস জানিয়েছে, ভ্রমণকারীদের অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে এবং চূড়ান্ত গন্তব্য দেশের জন্য বৈধ ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিট থাকতে হবে। মিসরকে অবশ্যই অন্য গন্তব্যে ভ্রমণকারীর রুটে একটি ট্রানজিট পয়েন্ট হতে হবে।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের তালিকায় শীর্ষে আছে বাংলাদেশের নাগরিকেরা। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ২০ হাজার ২৫৯ জন বাংলাদেশি ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি প্রবেশ করেছেন।