
বিডিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রামে আধা ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক ২টি দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত ও শিশুসহ দুজন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের কৌট্টা বাজার এলাকায় একটি পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আসবাবপত্রের দোকানে ঢুকে গেলে প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীসহ ২ জন নিহত হন। এ ছাড়া. শিশুসহ দুজন আহত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
এর আধা ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের চৌধুরীঘাটা এলাকায় লরির ধাক্কায় চানমিয়া নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন।
খবর প্রথম আলোর।
কৌট্টা বাজার এলাকায় নিহত ব্যক্তিরা হলেন আসবাবপত্রের দোকানের মালিক আব্দুল মানিক (৩৫) ও ওই বাজারে কেনাকাটা করতে আসা জেসমিন আক্তার (৩০)। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন জেসমিন আক্তারের দুই বছরের শিশু মোহাম্মদ ইব্রাহিম এবং অপর বাসিন্দা সানজিদ হোসেন (২০)। নিহত আব্দুল মানিক ও আহত সানজিদ হোসেনের বাড়ি কৌট্টা বাজার এলাকায়। জেসমিন আক্তারের বাড়ি বড় কুমিরা এলাকায়।
চৌধুরীঘাটা এলাকায় নিহত চানমিয়া (৫৫) মাদামবিবিরহাট নেভি গেট এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোমিন প্রথম আলোকে বলেন, সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে চট্টগ্রামমুখী একটি পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কৌট্টা বাজার এলাকায় প্রথমে জেসমিন আক্তার ও তাঁর ছেলে এবং পথচারী সানজিদকে ধাক্কা দেয়। পরে পিকআপটি আসবাবপত্র তৈরির দোকানে ঢুকে যায়। সেখানে দোকানি আব্দুল মানিককে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে জেসমিন ও আব্দুল মানিক নিহত হন।
সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে চৌধুরীঘাটা এলাকায় ঢাকামুখী মহাসড়কে একটি মোটরসাইকেলকে কেডিএস লজিস্টিকের একটি লরি পেছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে চানমিয়া নিহত হন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পরে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা থানায় এসে লাশ বিনা ময়নাতদন্তে হস্তান্তরের জন্য আবেদন করলে তারা লাশ হস্তান্তর করেন। এ ঘটনায় ঘাতক পিকআপ ও লরি আটক করে হাইওয়ে থানায় নিয়েছেন বলে জানান তিনি। এর আগে গত সোমবার ৯ ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক ২টি দুর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ নিয়ে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে ৬ জন নিহত ও ৪ জন আহত হলেন।
সূত্র: প্রথম আলো

চট্টগ্রামে আধা ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক ২টি দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত ও শিশুসহ দুজন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের কৌট্টা বাজার এলাকায় একটি পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আসবাবপত্রের দোকানে ঢুকে গেলে প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীসহ ২ জন নিহত হন। এ ছাড়া. শিশুসহ দুজন আহত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
এর আধা ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের চৌধুরীঘাটা এলাকায় লরির ধাক্কায় চানমিয়া নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন।
খবর প্রথম আলোর।
কৌট্টা বাজার এলাকায় নিহত ব্যক্তিরা হলেন আসবাবপত্রের দোকানের মালিক আব্দুল মানিক (৩৫) ও ওই বাজারে কেনাকাটা করতে আসা জেসমিন আক্তার (৩০)। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন জেসমিন আক্তারের দুই বছরের শিশু মোহাম্মদ ইব্রাহিম এবং অপর বাসিন্দা সানজিদ হোসেন (২০)। নিহত আব্দুল মানিক ও আহত সানজিদ হোসেনের বাড়ি কৌট্টা বাজার এলাকায়। জেসমিন আক্তারের বাড়ি বড় কুমিরা এলাকায়।
চৌধুরীঘাটা এলাকায় নিহত চানমিয়া (৫৫) মাদামবিবিরহাট নেভি গেট এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোমিন প্রথম আলোকে বলেন, সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে চট্টগ্রামমুখী একটি পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কৌট্টা বাজার এলাকায় প্রথমে জেসমিন আক্তার ও তাঁর ছেলে এবং পথচারী সানজিদকে ধাক্কা দেয়। পরে পিকআপটি আসবাবপত্র তৈরির দোকানে ঢুকে যায়। সেখানে দোকানি আব্দুল মানিককে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে জেসমিন ও আব্দুল মানিক নিহত হন।
সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে চৌধুরীঘাটা এলাকায় ঢাকামুখী মহাসড়কে একটি মোটরসাইকেলকে কেডিএস লজিস্টিকের একটি লরি পেছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে চানমিয়া নিহত হন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পরে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা থানায় এসে লাশ বিনা ময়নাতদন্তে হস্তান্তরের জন্য আবেদন করলে তারা লাশ হস্তান্তর করেন। এ ঘটনায় ঘাতক পিকআপ ও লরি আটক করে হাইওয়ে থানায় নিয়েছেন বলে জানান তিনি। এর আগে গত সোমবার ৯ ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক ২টি দুর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ নিয়ে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে ৬ জন নিহত ও ৪ জন আহত হলেন।
সূত্র: প্রথম আলো
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।