

বিডিজেন ডেস্ক

ঘড়িতে রাত ১২টা বাজতেই রঙিন হয়ে ওঠে ঢাকার আকাশ। বিধিনিষেধের মধ্যেই পটকা ও আতশবাজির শব্দে একাকার হয় পুরো ঢাকা মহানগরী। ঢাকার বাসাবাড়ির ছাদে ছাদে ছোট–বড় সবাই মিলে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে উল্লাসে মেতে ওঠেন। নানা আয়োজনে ২০২৫ সালকে বরণ করে নেন মানুষ।
মঙ্গলবার রাত ১১টা বাজার আগেই শুরু হয় নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর নানা আয়োজন। ঢাকার অলিগলি, মহল্লার সড়ক আর বাসার ছাদে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর আয়োজনে মেতে ওঠেন নানা বয়সী মানুষ। পরিবারের সদস্য, বন্ধু, স্বজনদের নিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানান তারা।
এ বছর টিএসসিতে উৎসবের সেই রূপ দেখা না গেলেও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ বিভিন্ন এলাকার সড়কে লোকজনকে আনন্দ–উচ্ছ্বাস করতে দেখা গেছে। রাত ১১টার পর থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের এক পাশ মানুষ ও গাড়িতে ভরে যায়। রাত ১২টা বাজতেই উৎসবে মেতে ওঠেন তারা।

পুরান ঢাকা, ধানমন্ডিসহ পুরো নগরীর প্রায় সব ভবনের ছাদেও ছিল উৎসব। নতুন বছরের প্রথম প্রহরে ছাদগুলো থেকে মুহুর্মুহু আতশবাজি ফাটানো হয়। বিভিন্ন এলাকা–সড়কেও আনন্দ–উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠা মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।
এবার থার্টি ফার্স্ট নাইট ও নববর্ষ ২০২৫ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর এলাকায় যেকোনো ধরনের আতশবাজি, পটকা ফাটানো ও ফানুস ওড়ানো নিষিদ্ধ করেছিল ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। অনুমতি ছাড়া উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত, নাচ, গান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র্যালি ও শোভাযাত্রার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।
তবে বর্ষবরণ উৎসব উদ্যাপনের আনন্দের বাঁধভাঙা জোয়ারে ভেঙেছে নিষেধাজ্ঞার বেড়াজাল। আতশবাজিতে রঙিন হয়ে ওঠে ঢাকার রাতের আকাশ।
আরও পড়ুন

ঘড়িতে রাত ১২টা বাজতেই রঙিন হয়ে ওঠে ঢাকার আকাশ। বিধিনিষেধের মধ্যেই পটকা ও আতশবাজির শব্দে একাকার হয় পুরো ঢাকা মহানগরী। ঢাকার বাসাবাড়ির ছাদে ছাদে ছোট–বড় সবাই মিলে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে উল্লাসে মেতে ওঠেন। নানা আয়োজনে ২০২৫ সালকে বরণ করে নেন মানুষ।
মঙ্গলবার রাত ১১টা বাজার আগেই শুরু হয় নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর নানা আয়োজন। ঢাকার অলিগলি, মহল্লার সড়ক আর বাসার ছাদে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর আয়োজনে মেতে ওঠেন নানা বয়সী মানুষ। পরিবারের সদস্য, বন্ধু, স্বজনদের নিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানান তারা।
এ বছর টিএসসিতে উৎসবের সেই রূপ দেখা না গেলেও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ বিভিন্ন এলাকার সড়কে লোকজনকে আনন্দ–উচ্ছ্বাস করতে দেখা গেছে। রাত ১১টার পর থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের এক পাশ মানুষ ও গাড়িতে ভরে যায়। রাত ১২টা বাজতেই উৎসবে মেতে ওঠেন তারা।

পুরান ঢাকা, ধানমন্ডিসহ পুরো নগরীর প্রায় সব ভবনের ছাদেও ছিল উৎসব। নতুন বছরের প্রথম প্রহরে ছাদগুলো থেকে মুহুর্মুহু আতশবাজি ফাটানো হয়। বিভিন্ন এলাকা–সড়কেও আনন্দ–উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠা মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।
এবার থার্টি ফার্স্ট নাইট ও নববর্ষ ২০২৫ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর এলাকায় যেকোনো ধরনের আতশবাজি, পটকা ফাটানো ও ফানুস ওড়ানো নিষিদ্ধ করেছিল ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। অনুমতি ছাড়া উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত, নাচ, গান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র্যালি ও শোভাযাত্রার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।
তবে বর্ষবরণ উৎসব উদ্যাপনের আনন্দের বাঁধভাঙা জোয়ারে ভেঙেছে নিষেধাজ্ঞার বেড়াজাল। আতশবাজিতে রঙিন হয়ে ওঠে ঢাকার রাতের আকাশ।
আরও পড়ুন
শামা ওবায়েদ আশা প্রকাশ করেন, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করবে এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের বিচারের আওতায় আনবে।
সেমিনারে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনতাত্ত্বিক লভ্যাংশের সুবর্ণ সময়ে অবস্থান করছে। আমাদের এই বিশাল কর্মক্ষম জনশক্তিকে কেবল শ্রমিক হিসেবে নয়, বরং উন্নত জ্ঞান ও দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করে বিশ্ববাজারে পাঠাতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাপোর্টিং দ্য ট্রানজিশন টুওয়ার্ডস এ সাসটেইনেবল বায়োইকোনমি ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক রেজুলেশনটি বাংলাদেশের উদ্যোগে উত্থাপিত হয় এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে গৃহীত হয়। যা এ অঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আফ্রিকায় শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক ডাকার আন্তর্জাতিক ফোরামের ফাঁকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সেনেগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ নিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠককালে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।