
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বাংলাশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ চলাকালে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় অন্তত ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে আরও জানানো হয়, গতকাল সোমবারের ওইসব ঘটনায় পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ইতিমধ্যে দুটি মামলা করা হয়েছে। আরও তদন্ত চলমান রয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মামলা প্রক্রিয়াধীন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে পুলিশ সোমবার রাতে অভিযানে নেমেছে এবং দোষীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিক্ষোভ চলাকালে ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করছে যাতে আরো জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা যায়। দোষীদের গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত এই অভিযান চলতে থাকবে।
বিবৃতিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে সরকার বলেছে, ‘আমরা দেশের প্রতিটি নাগরিককে অনুরোধ করছি, আপনারা তদন্তে সহায়তা করুন, আমাদেরকে তথ্য প্রদানে এগিয়ে আসুন। আমরা যেন নিশ্চিত করতে পারি যে, যারা সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায়, তারা কোনোভাবে যেন রেহাই না পায়।’

ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বাংলাশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ চলাকালে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় অন্তত ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে আরও জানানো হয়, গতকাল সোমবারের ওইসব ঘটনায় পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ইতিমধ্যে দুটি মামলা করা হয়েছে। আরও তদন্ত চলমান রয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মামলা প্রক্রিয়াধীন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে পুলিশ সোমবার রাতে অভিযানে নেমেছে এবং দোষীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিক্ষোভ চলাকালে ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করছে যাতে আরো জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা যায়। দোষীদের গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত এই অভিযান চলতে থাকবে।
বিবৃতিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে সরকার বলেছে, ‘আমরা দেশের প্রতিটি নাগরিককে অনুরোধ করছি, আপনারা তদন্তে সহায়তা করুন, আমাদেরকে তথ্য প্রদানে এগিয়ে আসুন। আমরা যেন নিশ্চিত করতে পারি যে, যারা সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায়, তারা কোনোভাবে যেন রেহাই না পায়।’
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি