
প্রতিবেদক, বিডিজেন

গ্যাটকো দুর্নীতির মামলা থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দলটির শীর্ষ তিন নেতাকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি অপর ১২ অভিযুক্তর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩–এর বিচারক আবু তাহের বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) এ আদেশ দেন।
অব্যাহতি পাওয়া অন্য দুজন হলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেন ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মীর আহমেদ আলী সালাম জানান, আজ বৃহস্পতিবার গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অন্য অভিযুক্তদের পক্ষে অব্যাহতি চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়। দুদকের পক্ষে তিনি খালেদা জিয়াসহ অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করেন। দুই পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত মামলা থেকে খালেদা জিয়া, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও খন্দকার মোশাররফকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। বাকি ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়া, তাঁর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় দুদক এ মামলা করে। ২০০৮ সালের ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। এ মামলায় এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন অভিযুক্ত মারা গেছেন।
গ্যাটকো মামলায় অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকার ক্ষতি করেছেন।
২০০৭ ও ২০০৮ সালে মামলাটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই হাইকোর্ট এ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং রুল দেন। ওই সময় থেকে মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত ছিল। ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট জারি করা রুল খারিজ করে রায় দেন বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ও বিচারপতি আবদুর রবের বেঞ্চ।

গ্যাটকো দুর্নীতির মামলা থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দলটির শীর্ষ তিন নেতাকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি অপর ১২ অভিযুক্তর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩–এর বিচারক আবু তাহের বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) এ আদেশ দেন।
অব্যাহতি পাওয়া অন্য দুজন হলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেন ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মীর আহমেদ আলী সালাম জানান, আজ বৃহস্পতিবার গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অন্য অভিযুক্তদের পক্ষে অব্যাহতি চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়। দুদকের পক্ষে তিনি খালেদা জিয়াসহ অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করেন। দুই পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত মামলা থেকে খালেদা জিয়া, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও খন্দকার মোশাররফকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। বাকি ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়া, তাঁর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় দুদক এ মামলা করে। ২০০৮ সালের ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। এ মামলায় এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন অভিযুক্ত মারা গেছেন।
গ্যাটকো মামলায় অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকার ক্ষতি করেছেন।
২০০৭ ও ২০০৮ সালে মামলাটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই হাইকোর্ট এ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং রুল দেন। ওই সময় থেকে মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত ছিল। ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট জারি করা রুল খারিজ করে রায় দেন বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ও বিচারপতি আবদুর রবের বেঞ্চ।
বৈঠকের একপর্যায়ে রাষ্ট্রদূত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী এ আমন্ত্রণের জন্য রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে জুলাই মাসের প্রথমার্ধে সৌদি আরব সফর করতে পারেন বলে উল্লেখ করেন।
নুরুল হক বলেন, “বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বন্ধ এবং সংকুচিত শ্রমবাজার মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে কর্মীর প্রেরণের লক্ষ্যে দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।”
পিকেএসএফের বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে সৃষ্ট কর্মসংস্থানের গুণগতমান সম্পর্কে অধিকতর ধারণা লাভের জন্য পিকেএসএফ এবং সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ৩৪ জনের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মরদেহগুলো দীর্ঘদিন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে আটকে ছিল।