
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশের বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৮৯ টাকায়। এত দিন এ দাম ছিল ১৭৫ টাকা।
অন্যদিকে খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ১২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৬৯ টাকায়। এত দিন দাম ছিল প্রতি লিটার ১৫৭ টাকা।
বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯২২ টাকা; যা আগে ছিল ৮৫২ টাকা।
এ ছাড়া, খোলা পাম তেলর দামও লিটারপ্রতি ১২ টাকা বাড়িয়ে ১৬৯ টাকা করা হয়েছে। এত দিন খোলা পাম তেলের দাম ছিল প্রতি লিটার ১৫৭ টাকা।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে আজ মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকের পর সয়াবিন তেল ও পাম তেলের নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। সচিবালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বাণিজ্য উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
সচিবালয়ে বৈঠকের পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সয়াবিন ও পাম তেলের নতুন দাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল রোববার থেকে এই দুই ভোজ্যতেলের নতুন দাম কার্যকর হবে। এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর সর্বশেষ বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল।
বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ভোজ্যতেলের বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার ইতিপূর্বে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সয়াবিন তেল এবং পাম তেল আমদানির ওপর আরোপিত মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছিল। পাশাপাশি স্থানীয় উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়েও ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়, যার মেয়াদ গত ৩১ মার্চ শেষ হয়েছে।’
সমিতি জানায়, এই মেয়াদ শেষে আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে আদর্শ হারে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপিত হচ্ছে। ফলে ভ্যাট সমন্বয়ের পর ভোজ্যতেলের নতুন দাম হওয়ার কথা লিটারপ্রতি ১৯৮ টাকা। তবে ভোক্তার স্বার্থ বিবেচনায় ৮ শতাংশ হারে দাম সমন্বয় করে (বাড়িয়ে) তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে লিটার প্রতি বোতলজাত সয়াবিন তেলের নতুন দাম হয়েছে ১৮৯ টাকা।

বাংলাদেশের বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৮৯ টাকায়। এত দিন এ দাম ছিল ১৭৫ টাকা।
অন্যদিকে খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ১২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৬৯ টাকায়। এত দিন দাম ছিল প্রতি লিটার ১৫৭ টাকা।
বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯২২ টাকা; যা আগে ছিল ৮৫২ টাকা।
এ ছাড়া, খোলা পাম তেলর দামও লিটারপ্রতি ১২ টাকা বাড়িয়ে ১৬৯ টাকা করা হয়েছে। এত দিন খোলা পাম তেলের দাম ছিল প্রতি লিটার ১৫৭ টাকা।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে আজ মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকের পর সয়াবিন তেল ও পাম তেলের নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। সচিবালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বাণিজ্য উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
সচিবালয়ে বৈঠকের পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সয়াবিন ও পাম তেলের নতুন দাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল রোববার থেকে এই দুই ভোজ্যতেলের নতুন দাম কার্যকর হবে। এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর সর্বশেষ বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল।
বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ভোজ্যতেলের বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার ইতিপূর্বে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সয়াবিন তেল এবং পাম তেল আমদানির ওপর আরোপিত মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছিল। পাশাপাশি স্থানীয় উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়েও ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়, যার মেয়াদ গত ৩১ মার্চ শেষ হয়েছে।’
সমিতি জানায়, এই মেয়াদ শেষে আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে আদর্শ হারে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপিত হচ্ছে। ফলে ভ্যাট সমন্বয়ের পর ভোজ্যতেলের নতুন দাম হওয়ার কথা লিটারপ্রতি ১৯৮ টাকা। তবে ভোক্তার স্বার্থ বিবেচনায় ৮ শতাংশ হারে দাম সমন্বয় করে (বাড়িয়ে) তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে লিটার প্রতি বোতলজাত সয়াবিন তেলের নতুন দাম হয়েছে ১৮৯ টাকা।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।