
প্রতিবেদক, বিডিজেন

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে চিকিৎসা নেওয়ার পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, ‘চিকিৎসার পর উনি অনেকটুকু সুস্থ আছেন এবং মানসিকভাবেও উনি স্ট্যাবল (শক্ত) আছেন। আপনারা ওনার জন্য দোয়া করবেন।’
মঙ্গলবার দুপুরে (৬ মে) গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের বাসভবন ‘ফিরোজা’র সামনে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ আছেন। যদিও দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টার ভ্রমণের কারণে তিনি কিছুটা অবসন্ন। আমরা তাঁর জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।’
বিএনপির চেয়ারপারসন সবাইকে শুভেচ্ছা, সালাম ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বলে জানান ডা. জাহিদ হোসেন। খালেদা জিয়ার জন্য কাতারের পক্ষ থেকে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ায় দেশটির সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, কাতার সরকার সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে এটি দিয়েছে। এ সহায়তার মধ্য দিয়ে জিয়া পরিবারের সঙ্গে তাঁদের যে সম্পর্ক, তার প্রকাশ ঘটিয়েছেন।
বাসভবনের সামনে ভিড় না করার অনুরোধ
এদিকে বিএনপির চেয়ারপারসনের বাসভবনের সামনে ভিড় না করতে নেতা-কর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) এখন কিছুটা অসুস্থ। চিকিৎসকেরা তাঁকে কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাই কেউ এখানে স্লোগান দেবেন না, ভিড় করবেন না। দয়া করে আপনারা সবাই এখন যার যার বাড়িতে ফিরে যান।’
সবাইকে ‘ফিরোজা’র সামনে থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দলের পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ করছি, যেন এখানে কোনো গন্ডগোল না হয়। পরে সময় হলে আপনাদের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন।’
উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৭ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যে যান খালেদা জিয়া। সেখানে উন্নত চিকিৎসা শেষে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে দেশে ফেরেন তিনি। তাঁর সঙ্গে দুই পুত্রবধূ জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শর্মিলা রহমান দেশে ফিরেছেন।
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে খালেদা জিয়া সরাসরি তাঁর গুলশান-২ নম্বরের ৭৯ নম্বর সড়কের বাসভবন ফিরোজায় যান। বিমানবন্দর থেকে ফিরোজায় যাওয়ার সময় পথে পথে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান দলের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী। দুপুর ১টা ২৫ মিনিটের দিকে ফিরোজায় পৌঁছান।
আরও পড়ুন

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে চিকিৎসা নেওয়ার পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, ‘চিকিৎসার পর উনি অনেকটুকু সুস্থ আছেন এবং মানসিকভাবেও উনি স্ট্যাবল (শক্ত) আছেন। আপনারা ওনার জন্য দোয়া করবেন।’
মঙ্গলবার দুপুরে (৬ মে) গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের বাসভবন ‘ফিরোজা’র সামনে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ আছেন। যদিও দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টার ভ্রমণের কারণে তিনি কিছুটা অবসন্ন। আমরা তাঁর জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।’
বিএনপির চেয়ারপারসন সবাইকে শুভেচ্ছা, সালাম ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বলে জানান ডা. জাহিদ হোসেন। খালেদা জিয়ার জন্য কাতারের পক্ষ থেকে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ায় দেশটির সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, কাতার সরকার সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে এটি দিয়েছে। এ সহায়তার মধ্য দিয়ে জিয়া পরিবারের সঙ্গে তাঁদের যে সম্পর্ক, তার প্রকাশ ঘটিয়েছেন।
বাসভবনের সামনে ভিড় না করার অনুরোধ
এদিকে বিএনপির চেয়ারপারসনের বাসভবনের সামনে ভিড় না করতে নেতা-কর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) এখন কিছুটা অসুস্থ। চিকিৎসকেরা তাঁকে কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাই কেউ এখানে স্লোগান দেবেন না, ভিড় করবেন না। দয়া করে আপনারা সবাই এখন যার যার বাড়িতে ফিরে যান।’
সবাইকে ‘ফিরোজা’র সামনে থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দলের পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ করছি, যেন এখানে কোনো গন্ডগোল না হয়। পরে সময় হলে আপনাদের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন।’
উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৭ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যে যান খালেদা জিয়া। সেখানে উন্নত চিকিৎসা শেষে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে দেশে ফেরেন তিনি। তাঁর সঙ্গে দুই পুত্রবধূ জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শর্মিলা রহমান দেশে ফিরেছেন।
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে খালেদা জিয়া সরাসরি তাঁর গুলশান-২ নম্বরের ৭৯ নম্বর সড়কের বাসভবন ফিরোজায় যান। বিমানবন্দর থেকে ফিরোজায় যাওয়ার সময় পথে পথে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান দলের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী। দুপুর ১টা ২৫ মিনিটের দিকে ফিরোজায় পৌঁছান।
আরও পড়ুন
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।