
বিডিজেন ডেস্ক

পুলিশের ছয়জন উপমহাপরিদর্শককে (ডিআইজি) বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাঁদের বদলির কথা জানানো হয়।
বদলি হওয়া ডিআইজিদের মধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. আলী হোসেন ফকিরকে ঢাকায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. জিল্লুর রহমান এবং বিশেষ শাখার (এসবি) ডিআইজি মীর আশরাফ আলীকে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে বদলি করা হয়েছে।
এ ছাড়া পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. নাজমুল করিম খানকে ঢাকার পুলিশ স্টাফ কলেজে, রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. আবদুল মালেককে টিডিএসের কমান্ড্যান্ট এবং সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির ডিআইজি মো. গোলাম রউফ খানকে রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এর পর থেকে পুলিশে ব্যাপকভাবে রদবদল হচ্ছে।

পুলিশের ছয়জন উপমহাপরিদর্শককে (ডিআইজি) বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাঁদের বদলির কথা জানানো হয়।
বদলি হওয়া ডিআইজিদের মধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. আলী হোসেন ফকিরকে ঢাকায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. জিল্লুর রহমান এবং বিশেষ শাখার (এসবি) ডিআইজি মীর আশরাফ আলীকে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে বদলি করা হয়েছে।
এ ছাড়া পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. নাজমুল করিম খানকে ঢাকার পুলিশ স্টাফ কলেজে, রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. আবদুল মালেককে টিডিএসের কমান্ড্যান্ট এবং সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির ডিআইজি মো. গোলাম রউফ খানকে রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এর পর থেকে পুলিশে ব্যাপকভাবে রদবদল হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।