
বিডিজেন ডেস্ক

দেশের অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি নিশ্চিতে আর্থিক সহায়তা দেবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিতে দেওয়া হবে এ সহায়তা। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, এ লক্ষ্যে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে গত ৫ মার্চ। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১০ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ভর্তি সহায়তা পেতে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকৃত অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিতে ভর্তি সহায়তা দেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ভর্তি সহায়তা নির্দেশিকা’ অনুসারে শিক্ষার্থীরা কলেজে ভর্তিতে আর্থিক সহায়তা পাবেন। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিতকরণে ভর্তি সহায়তা দিয়ে থাকে।
বর্তমানে মাধ্যমিক পর্যায়ে ৫ হাজার টাকা, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ৮ হাজার টাকা এবং স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে ১০ হাজার টাকা হারে ভর্তি সহায়তা দেওয়া হয়।
সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডে চাকরিরত কর্মচারীর সন্তান আর্থিক অনুদান পাওয়ার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। অথবা, মা-বাবা বা অভিভাবকের বার্ষিক আয় ২ লাখ টাকার কম হতে হবে।
ই-ভর্তি সহায়তা ব্যবহার নির্দেশিকা অনুসরণ করে দরকারি কাগজপত্র আপলোড করে আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে সিস্টেম ব্যবহার করে আবেদন করা যাবে। ভর্তি সহায়তা পেতে শিক্ষার্থীদের ছবি, জন্ম নিবন্ধন সনদ, অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র, নির্ধারিত ফরমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের সুপারিশ প্রয়োজন হবে।
তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে মা-বাবা বা অভিভাবকদের কর্মরত প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রত্যয়ন বা সুপারিশ প্রয়োজন হবে।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।

দেশের অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি নিশ্চিতে আর্থিক সহায়তা দেবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিতে দেওয়া হবে এ সহায়তা। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, এ লক্ষ্যে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে গত ৫ মার্চ। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১০ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ভর্তি সহায়তা পেতে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকৃত অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিতে ভর্তি সহায়তা দেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ভর্তি সহায়তা নির্দেশিকা’ অনুসারে শিক্ষার্থীরা কলেজে ভর্তিতে আর্থিক সহায়তা পাবেন। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিতকরণে ভর্তি সহায়তা দিয়ে থাকে।
বর্তমানে মাধ্যমিক পর্যায়ে ৫ হাজার টাকা, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ৮ হাজার টাকা এবং স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে ১০ হাজার টাকা হারে ভর্তি সহায়তা দেওয়া হয়।
সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডে চাকরিরত কর্মচারীর সন্তান আর্থিক অনুদান পাওয়ার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। অথবা, মা-বাবা বা অভিভাবকের বার্ষিক আয় ২ লাখ টাকার কম হতে হবে।
ই-ভর্তি সহায়তা ব্যবহার নির্দেশিকা অনুসরণ করে দরকারি কাগজপত্র আপলোড করে আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে সিস্টেম ব্যবহার করে আবেদন করা যাবে। ভর্তি সহায়তা পেতে শিক্ষার্থীদের ছবি, জন্ম নিবন্ধন সনদ, অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র, নির্ধারিত ফরমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের সুপারিশ প্রয়োজন হবে।
তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে মা-বাবা বা অভিভাবকদের কর্মরত প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রত্যয়ন বা সুপারিশ প্রয়োজন হবে।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”