
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৮ জুন (শনিবার) অনুষ্ঠিত হবে এ পরীক্ষা। সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত চার ঘণ্টাব্যাপী এ পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে। অনলাইনে ফরম পূরণ শুরু হয়েছে ১৬ মে সকাল ১০টায়। আবেদনের শেষ তারিখ ১ জুন (২০২৫) রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।
নিয়মিত প্রার্থী কারা
গত ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই নিয়মিত (রেগুলার) প্রার্থী। তাদের জন্য কোনো ফি প্রযোজ্য নয়। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে “Regular Candidate” অপশন নির্বাচন করতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন নম্বর, কন্ট্র্যাক্ট ডেট ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করে ধাপে ধাপে প্রোফাইল সাবমিট করতে হবে। প্রাপ্ত ইউজার আইডি সংরক্ষণ করতে হবে, যা দিয়ে পরে অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে হবে।
রিঅ্যাপিয়ার্ড প্রার্থী কারা
যারা ২০২৩ সালের ১৭ নভেম্বর এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে একই বছর ২৩ ডিসেম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়েছেন বা অংশ নেননি, তারা রিঅ্যাপিয়ার্ড প্রার্থী। তাদের অনলাইনে ফরম পূরণের পাশাপাশি ১ হাজার ৬২০ টাকা পরীক্ষার ফি টেলিটক মোবাইল থেকে দিতে হবে।
ওয়েবসাইটে “Reappeared Candidate” অপশন বেছে নিয়ে নির্ধারিত তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ ও সাবমিট করতে হবে।
SMS এর মাধ্যমে ফি দিতে হবে: ১ম SMS: BAR স্পেস USER ID পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
২য় SMS: BAR স্পেস YES স্পেস PIN পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। ফি দেওয়া সফল হলে প্রার্থীর মোবাইলে USER ID ও PASSWORD পাঠানো হবে। এটি সংরক্ষণ করতে হবে।
অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড
২১ জুন (২০২৫) সন্ধ্যা ৭টায় পরীক্ষা শুরুর দিন সকাল ৮টা পর্যন্ত অ্যাডমিট কার্ড কালার প্রিন্ট করে পরীক্ষাকেন্দ্রে যেতে হবে।
পরীক্ষাকেন্দ্র–সম্পর্কিত তথ্য পরে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
সতর্কতা: নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। ফি প্রদানের ও অনলাইন সাবমিশনের সব তথ্য নির্দিষ্ট টেলিটক নম্বর (১৬২২২, ০১৫৫০১৫৫৫৫৫) থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৮ জুন (শনিবার) অনুষ্ঠিত হবে এ পরীক্ষা। সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত চার ঘণ্টাব্যাপী এ পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে। অনলাইনে ফরম পূরণ শুরু হয়েছে ১৬ মে সকাল ১০টায়। আবেদনের শেষ তারিখ ১ জুন (২০২৫) রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।
নিয়মিত প্রার্থী কারা
গত ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই নিয়মিত (রেগুলার) প্রার্থী। তাদের জন্য কোনো ফি প্রযোজ্য নয়। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে “Regular Candidate” অপশন নির্বাচন করতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন নম্বর, কন্ট্র্যাক্ট ডেট ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করে ধাপে ধাপে প্রোফাইল সাবমিট করতে হবে। প্রাপ্ত ইউজার আইডি সংরক্ষণ করতে হবে, যা দিয়ে পরে অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে হবে।
রিঅ্যাপিয়ার্ড প্রার্থী কারা
যারা ২০২৩ সালের ১৭ নভেম্বর এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে একই বছর ২৩ ডিসেম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়েছেন বা অংশ নেননি, তারা রিঅ্যাপিয়ার্ড প্রার্থী। তাদের অনলাইনে ফরম পূরণের পাশাপাশি ১ হাজার ৬২০ টাকা পরীক্ষার ফি টেলিটক মোবাইল থেকে দিতে হবে।
ওয়েবসাইটে “Reappeared Candidate” অপশন বেছে নিয়ে নির্ধারিত তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ ও সাবমিট করতে হবে।
SMS এর মাধ্যমে ফি দিতে হবে: ১ম SMS: BAR স্পেস USER ID পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
২য় SMS: BAR স্পেস YES স্পেস PIN পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। ফি দেওয়া সফল হলে প্রার্থীর মোবাইলে USER ID ও PASSWORD পাঠানো হবে। এটি সংরক্ষণ করতে হবে।
অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড
২১ জুন (২০২৫) সন্ধ্যা ৭টায় পরীক্ষা শুরুর দিন সকাল ৮টা পর্যন্ত অ্যাডমিট কার্ড কালার প্রিন্ট করে পরীক্ষাকেন্দ্রে যেতে হবে।
পরীক্ষাকেন্দ্র–সম্পর্কিত তথ্য পরে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
সতর্কতা: নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। ফি প্রদানের ও অনলাইন সাবমিশনের সব তথ্য নির্দিষ্ট টেলিটক নম্বর (১৬২২২, ০১৫৫০১৫৫৫৫৫) থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।