
বিডিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রামের পটিয়ায় মোহাম্মদ মামুন (৩২) নামের এক প্রবাসী ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়নের ডেঙ্গাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। একই গ্রামের মোহাম্মদ ফাহিম নামের এক যুবক তাকে খুন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
নিহত মামুন ডেঙ্গাপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আবুল বশরের ছেলে। সম্প্রতি তিনি ওমান থেকে দেশে ফিরেছেন।
অভিযুক্ত ফাহিম একই এলাকার বাসিন্দা আইয়ুব আলীর ছেলে। তিনি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত বলে জানা গেছে।
নিহত প্রবাসীর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, গত বুধবার সকালে ফাহিম গ্যাংয়ের সদস্যরা মুন্সেফ বাজার থেকে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে। এ ঘটনার তদন্তে ওদিন সন্ধ্যায় ফাহিমকে ধরতে তার বাড়ি যায় পুলিশ। এ কাজে পুলিশকে সহযোগিতা করেন প্রবাসী মামুন। তিনি ফাহিমের বাড়ি পুলিশকে দেখিয়ে দেন। কিন্তু মায়ের সাহায্যে ফাহিম তখন পালিয়ে যায়। এদিকে বাড়ি চিনিয়ে দেওয়ায় মামুনের ওপর ক্ষিপ্ত হয় ফাহিম। বৃহস্পতিবার রাতে মামুনকে ডেকে নিয়ে বাড়ির কাছে তাকে ছুরিকাঘাত করে ফাহিম। পরে রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মামুন।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামান জানান, ফাহিম পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

চট্টগ্রামের পটিয়ায় মোহাম্মদ মামুন (৩২) নামের এক প্রবাসী ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়নের ডেঙ্গাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। একই গ্রামের মোহাম্মদ ফাহিম নামের এক যুবক তাকে খুন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
নিহত মামুন ডেঙ্গাপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আবুল বশরের ছেলে। সম্প্রতি তিনি ওমান থেকে দেশে ফিরেছেন।
অভিযুক্ত ফাহিম একই এলাকার বাসিন্দা আইয়ুব আলীর ছেলে। তিনি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত বলে জানা গেছে।
নিহত প্রবাসীর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, গত বুধবার সকালে ফাহিম গ্যাংয়ের সদস্যরা মুন্সেফ বাজার থেকে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে। এ ঘটনার তদন্তে ওদিন সন্ধ্যায় ফাহিমকে ধরতে তার বাড়ি যায় পুলিশ। এ কাজে পুলিশকে সহযোগিতা করেন প্রবাসী মামুন। তিনি ফাহিমের বাড়ি পুলিশকে দেখিয়ে দেন। কিন্তু মায়ের সাহায্যে ফাহিম তখন পালিয়ে যায়। এদিকে বাড়ি চিনিয়ে দেওয়ায় মামুনের ওপর ক্ষিপ্ত হয় ফাহিম। বৃহস্পতিবার রাতে মামুনকে ডেকে নিয়ে বাড়ির কাছে তাকে ছুরিকাঘাত করে ফাহিম। পরে রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মামুন।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামান জানান, ফাহিম পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে স্থানীয় আকুনি মাদরাসা মাঠে হাজারও মানুষের উপস্থিতিতে সম্মিলিত জানাজা শেষে নিজ নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাদের সমাহিত করা হয়।
আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এ সময় প্রিয়জন হারানো স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরি হয়।
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে একটি বৈদ্যুতিক প্যানেল বোর্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন ইব্রাহিম। কাজের একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে থাকা উচ্চক্ষমতার সার্কিট ব্রেকারে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি ইলেকট্রিক্যাল আর্ক ব্লাস্ট ঘটে।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা।