
বিডিজেন ডেস্ক

দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইনসের একটি বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজের চাকা বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রায় ৩২ ঘণ্টা ধরে যাত্রা বিঘ্নিত হয়।
খবর আজকের পত্রিকার।
গত বুধবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে দুবাই থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসার কথা ছিল বিজি-১৪৮ ফ্লাইটটি। তবে পার্কিংয়ের সময় উড়োজাহাজটির মূল চাকা (মেইন হুইল) ফেটে যাওয়ায় সেটিকে গ্রাউন্ডেড করে রাখা হয়।
ঢাকা থেকে নির্ধারিত সময়েই উড়োজাহাজটি নিরাপদে দুবাই পৌঁছালেও চাকা ফেটে যাওয়ার কারণে ফ্লাইট পরিচালনায় জটিলতা দেখা দেয়। স্থানীয়ভাবে অন্য কোনো এয়ারলাইনসের মাধ্যমে বিকল চাকা প্রতিস্থাপন সম্ভব না হওয়ায় বিমান কর্তৃপক্ষ বিপাকে পড়ে। এতে ২৭৫ জন যাত্রী (এর মধ্যে ৫৫ জন ঢাকার, বাকিরা চট্টগ্রামের) আটকা পড়েন। যাত্রীদের মধ্যে শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ ব্যক্তিও ছিলেন।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিমানের একটি ফিরতি ফ্লাইটে করে ঢাকা থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও নতুন চাকা পাঠানো হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনভর সংস্কারকাজ শেষে আজ শুক্রবার ভোরে উড়োজাহাজটি পুনরায় উড্ডয়নের উপযোগী হয়। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৯টা ৩০ মিনিট) ফ্লাইটটি দেশের উদ্দেশে রওনা দেয়। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর এটি চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।
বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক এ বি এম রওশন কবির বলেন, ‘উড়োজাহাজের চাকা ফেটে যাওয়ার পরপরই আমাদের টেকনিক্যাল টিম পরিস্থিতি মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেয়। ঢাকায় অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার চেষ্টা করা হলেও উড়োজাহাজ স্বল্পতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে যাত্রীদের জন্য স্থানীয় হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়।’
সূত্র: আজকের পত্রিকা

দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইনসের একটি বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজের চাকা বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রায় ৩২ ঘণ্টা ধরে যাত্রা বিঘ্নিত হয়।
খবর আজকের পত্রিকার।
গত বুধবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে দুবাই থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসার কথা ছিল বিজি-১৪৮ ফ্লাইটটি। তবে পার্কিংয়ের সময় উড়োজাহাজটির মূল চাকা (মেইন হুইল) ফেটে যাওয়ায় সেটিকে গ্রাউন্ডেড করে রাখা হয়।
ঢাকা থেকে নির্ধারিত সময়েই উড়োজাহাজটি নিরাপদে দুবাই পৌঁছালেও চাকা ফেটে যাওয়ার কারণে ফ্লাইট পরিচালনায় জটিলতা দেখা দেয়। স্থানীয়ভাবে অন্য কোনো এয়ারলাইনসের মাধ্যমে বিকল চাকা প্রতিস্থাপন সম্ভব না হওয়ায় বিমান কর্তৃপক্ষ বিপাকে পড়ে। এতে ২৭৫ জন যাত্রী (এর মধ্যে ৫৫ জন ঢাকার, বাকিরা চট্টগ্রামের) আটকা পড়েন। যাত্রীদের মধ্যে শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ ব্যক্তিও ছিলেন।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিমানের একটি ফিরতি ফ্লাইটে করে ঢাকা থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও নতুন চাকা পাঠানো হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনভর সংস্কারকাজ শেষে আজ শুক্রবার ভোরে উড়োজাহাজটি পুনরায় উড্ডয়নের উপযোগী হয়। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৯টা ৩০ মিনিট) ফ্লাইটটি দেশের উদ্দেশে রওনা দেয়। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর এটি চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।
বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক এ বি এম রওশন কবির বলেন, ‘উড়োজাহাজের চাকা ফেটে যাওয়ার পরপরই আমাদের টেকনিক্যাল টিম পরিস্থিতি মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেয়। ঢাকায় অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার চেষ্টা করা হলেও উড়োজাহাজ স্বল্পতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে যাত্রীদের জন্য স্থানীয় হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়।’
সূত্র: আজকের পত্রিকা
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।