
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সবাইকে নিয়ে জাতীয় নির্বাচন চায় ভারত। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
গোপালগঞ্জে সহিংসতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের সম্ভাবনা নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাওয়া হয়েছিল জয়সোয়ালের কাছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি আপনারা জানেন। একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে আমরা [বাংলাদেশে] নির্বাচনকে স্বাগত জানাই, যেটা অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং যাতে সবার অংশগ্রহণ থাকে।’
ব্রিফিংয়ে এর আগে বুধবার গোপালগঞ্জে সহিংসতা ও গুলিতে ৪ জন নিহত হওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জয়সোয়াল বলেন, ‘আমাদের অঞ্চলের সব ঘটনার ওপর গভীরভাবে নজর রাখি এবং কী ঘটছে তা বিবেচনায় নিই। সেই অনুযায়ী প্রয়োজনে আমরা আমাদের তরফ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করি।’
ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নে বলা হয়, ময়মনসিংহ শহরে সত্যজিৎ রায়ের ‘পূর্বপুরুষের বাড়ি’সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার আগের অবস্থান থেকে পুরোপুরি সরে এসেছে। জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষের বাড়ি নিয়ে দেওয়া একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেখেছি।’
আরেক প্রশ্নে বলা হয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আগামী মাসে এক বছর পূর্ণ করতে চলেছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারত বিশেষ গুরুত্বের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোয় সহায়তার বিষয়টি কীভাবে মূল্যায়ন করছে? জবাবে জয়সোয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের অবস্থান আপনারা জানেন। আমরা ওই দেশের সঙ্গে একটি ইতিবাচক ও গঠনমূলক অংশীদারত্ব চাই।’
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের নেতৃত্ব পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। আমাদের পররাষ্ট্রসচিব [বিক্রম মিশ্রি] গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সফর করেছেন। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার বাংলাদেশি প্রতিপক্ষের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। আপনারা জানেন, দুই দেশের মধ্যে উন্নয়ন অংশীদারত্বসহ অনেকগুলো ক্ষেত্রে সহযোগিতা চলমান রয়েছে। সুতরাং এই হলো প্রেক্ষাপট, যা থেকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রতি আমাদের অবস্থান আপনাদের দেখতে হবে।’
ভারত থেকে বাংলাদেশিদের দেওয়া চিকিৎসা ভিসা সম্পর্কে জানতে চাইলে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘জরুরি চিকিৎসা, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা কারণে বাংলাদেশিদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে।’

বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সবাইকে নিয়ে জাতীয় নির্বাচন চায় ভারত। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
গোপালগঞ্জে সহিংসতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের সম্ভাবনা নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাওয়া হয়েছিল জয়সোয়ালের কাছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি আপনারা জানেন। একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে আমরা [বাংলাদেশে] নির্বাচনকে স্বাগত জানাই, যেটা অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং যাতে সবার অংশগ্রহণ থাকে।’
ব্রিফিংয়ে এর আগে বুধবার গোপালগঞ্জে সহিংসতা ও গুলিতে ৪ জন নিহত হওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জয়সোয়াল বলেন, ‘আমাদের অঞ্চলের সব ঘটনার ওপর গভীরভাবে নজর রাখি এবং কী ঘটছে তা বিবেচনায় নিই। সেই অনুযায়ী প্রয়োজনে আমরা আমাদের তরফ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করি।’
ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নে বলা হয়, ময়মনসিংহ শহরে সত্যজিৎ রায়ের ‘পূর্বপুরুষের বাড়ি’সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার আগের অবস্থান থেকে পুরোপুরি সরে এসেছে। জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষের বাড়ি নিয়ে দেওয়া একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেখেছি।’
আরেক প্রশ্নে বলা হয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আগামী মাসে এক বছর পূর্ণ করতে চলেছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারত বিশেষ গুরুত্বের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোয় সহায়তার বিষয়টি কীভাবে মূল্যায়ন করছে? জবাবে জয়সোয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের অবস্থান আপনারা জানেন। আমরা ওই দেশের সঙ্গে একটি ইতিবাচক ও গঠনমূলক অংশীদারত্ব চাই।’
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের নেতৃত্ব পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। আমাদের পররাষ্ট্রসচিব [বিক্রম মিশ্রি] গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সফর করেছেন। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার বাংলাদেশি প্রতিপক্ষের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। আপনারা জানেন, দুই দেশের মধ্যে উন্নয়ন অংশীদারত্বসহ অনেকগুলো ক্ষেত্রে সহযোগিতা চলমান রয়েছে। সুতরাং এই হলো প্রেক্ষাপট, যা থেকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রতি আমাদের অবস্থান আপনাদের দেখতে হবে।’
ভারত থেকে বাংলাদেশিদের দেওয়া চিকিৎসা ভিসা সম্পর্কে জানতে চাইলে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘জরুরি চিকিৎসা, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা কারণে বাংলাদেশিদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে।’
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি