
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সংগঠন ‘প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির (প্রসাস) সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক কালের কণ্ঠের আমিরাত প্রতিনিধি এবং সি প্লাস টিভি ও বাংলা টিভির আবুধাবি প্রতিনিধি এম আব্দুল মান্নানের বাবা হাজী আব্দুল হাদী (৮২) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) ভোর ৫টায় চট্টগ্রামের ন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আব্দুল হাদী। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
আব্দুল হাদী গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার উত্তর সত্তা গ্রামে। তিনি চার ছেলে ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের জানাজা তার নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন এম আব্দুল মান্নান।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সংগঠন ‘প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির (প্রসাস) সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক কালের কণ্ঠের আমিরাত প্রতিনিধি এবং সি প্লাস টিভি ও বাংলা টিভির আবুধাবি প্রতিনিধি এম আব্দুল মান্নানের বাবা হাজী আব্দুল হাদী (৮২) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) ভোর ৫টায় চট্টগ্রামের ন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আব্দুল হাদী। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
আব্দুল হাদী গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার উত্তর সত্তা গ্রামে। তিনি চার ছেলে ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের জানাজা তার নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন এম আব্দুল মান্নান।
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে একটি বৈদ্যুতিক প্যানেল বোর্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন ইব্রাহিম। কাজের একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে থাকা উচ্চক্ষমতার সার্কিট ব্রেকারে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি ইলেকট্রিক্যাল আর্ক ব্লাস্ট ঘটে।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা।
দুই পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেওয়ার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, দক্ষতার সনদায়ন জোরদার করা এবং কর্মীরা যাতে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন তা নিশ্চিত করা।”