
প্রতিবেদক, বিডিজেন

টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে নিজেকে আগেই সরিয়ে নিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এবার ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলার ইতি টানলেন এই অলরাউন্ডার।
বুধবার (১২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে নিজের অবসরের সিদ্ধান্ত জানান মাহমুদউল্লাহ।
বিদায়ী বার্তায় তিনি লিখেছেন, “আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
“আমি আমার সকল সতীর্থ, কোচ ও বিশেষ করে আমার ভক্তদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা সবসময় আমাকে সমর্থন করেছেন।”
তিনি লিখেছেন, “আমার বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, বিশেষ করে আমার শ্বশুর এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে আমার ভাই এমদাদ উল্লাহকে ধন্যবাদ, যিনি শৈশব থেকে আমার কোচ ও মেন্টর হিসেবে সবসময় আমার পাশে রয়েছেন।”
তিনি লিখেছেন, “অবশেষে আমার স্ত্রী ও সন্তানদের ধন্যবাদ, যারা সবরকমভাবে আমাকে অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছে। আমি জানি, লাল-সবুজ জার্সিতে রাঈদ আমাকে মিস করবে।”
সবশেষে বাংলাদেশের ক্রিকেট ও দলের জন্য শুভ কামনা জানিয়ে তিনি আরও লিখেছেন, “সবকিছু নিখুঁতভাবে শেষ হয় না, কিন্তু আপনি স্বীকার করে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারেন।”
২০২১ সালের জুলাইতে ‘ফিনিশার’ খ্যাত এই ক্রিকেটার বাংলাদেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষবার টেস্ট খেলেছিলেন। আর বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে তাকে সবশেষ দেখা গেছে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারত সফরকালে। তারপর থেকে শুধু ওয়ানডে ক্রিকেটেই খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।
সদ্যসমাপ্ত আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে টাইগারদের স্কোয়াডে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। গ্রুপ পর্বে রাওয়ালপিন্ডিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা ম্যাচটি হয়ে থাকল আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তাঁর শেষ স্মৃতি।
২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেকের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন তিনি। এরপর ২৩২ ম্যাচে ৩৫ দশমিক ৩৩ গড়ে এবং ৭৭ দশমিক ৮৭ স্ট্রাইক রেটে মোট ৫ হাজার ৩৮৬ রান করেছেন তিনি।
১৮ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২৮টি ফিফটির পাশাপাশি করেছেন ৪টি সেঞ্চুরি। বল হাতে ১৫৫ ইনিংসে ৪ দশমিক ৯৮ ইকোনমি রেটে মোট ৮২টি উইকেট নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।
বাংলাদেশের চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডেতে ৫ হাজার রানের মাইলফলক অতিক্রম করেছেন মাহমুদউল্লাহ। এ ছাড়া. বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি করার রেকর্ডটির পাশেও তার নাম লেখা থাকবে। ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর ১০৩ রানের ইনিংস এবং পরে রুবেল ও তাঁর দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিজয়োল্লাস করে প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সেই স্মৃতি ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে অমলিন হয়ে থাকবে।
সোমবার বিসিবির ২০২৫ সালের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন মাহমুদউল্লাহ। তাঁকে রাখা হয়েছিল ‘বি’ ক্যাটাগরিতে। তখন থেকেই গুঞ্জন ছিল, ২২ গজ থেকে বিদায় নিয়ে নিতে পারেন তিনি। অবশেষে সেটিই সত্যি হলো।

টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে নিজেকে আগেই সরিয়ে নিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এবার ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলার ইতি টানলেন এই অলরাউন্ডার।
বুধবার (১২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে নিজের অবসরের সিদ্ধান্ত জানান মাহমুদউল্লাহ।
বিদায়ী বার্তায় তিনি লিখেছেন, “আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
“আমি আমার সকল সতীর্থ, কোচ ও বিশেষ করে আমার ভক্তদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা সবসময় আমাকে সমর্থন করেছেন।”
তিনি লিখেছেন, “আমার বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, বিশেষ করে আমার শ্বশুর এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে আমার ভাই এমদাদ উল্লাহকে ধন্যবাদ, যিনি শৈশব থেকে আমার কোচ ও মেন্টর হিসেবে সবসময় আমার পাশে রয়েছেন।”
তিনি লিখেছেন, “অবশেষে আমার স্ত্রী ও সন্তানদের ধন্যবাদ, যারা সবরকমভাবে আমাকে অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছে। আমি জানি, লাল-সবুজ জার্সিতে রাঈদ আমাকে মিস করবে।”
সবশেষে বাংলাদেশের ক্রিকেট ও দলের জন্য শুভ কামনা জানিয়ে তিনি আরও লিখেছেন, “সবকিছু নিখুঁতভাবে শেষ হয় না, কিন্তু আপনি স্বীকার করে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারেন।”
২০২১ সালের জুলাইতে ‘ফিনিশার’ খ্যাত এই ক্রিকেটার বাংলাদেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষবার টেস্ট খেলেছিলেন। আর বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে তাকে সবশেষ দেখা গেছে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারত সফরকালে। তারপর থেকে শুধু ওয়ানডে ক্রিকেটেই খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।
সদ্যসমাপ্ত আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে টাইগারদের স্কোয়াডে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। গ্রুপ পর্বে রাওয়ালপিন্ডিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা ম্যাচটি হয়ে থাকল আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তাঁর শেষ স্মৃতি।
২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেকের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন তিনি। এরপর ২৩২ ম্যাচে ৩৫ দশমিক ৩৩ গড়ে এবং ৭৭ দশমিক ৮৭ স্ট্রাইক রেটে মোট ৫ হাজার ৩৮৬ রান করেছেন তিনি।
১৮ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২৮টি ফিফটির পাশাপাশি করেছেন ৪টি সেঞ্চুরি। বল হাতে ১৫৫ ইনিংসে ৪ দশমিক ৯৮ ইকোনমি রেটে মোট ৮২টি উইকেট নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।
বাংলাদেশের চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডেতে ৫ হাজার রানের মাইলফলক অতিক্রম করেছেন মাহমুদউল্লাহ। এ ছাড়া. বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি করার রেকর্ডটির পাশেও তার নাম লেখা থাকবে। ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর ১০৩ রানের ইনিংস এবং পরে রুবেল ও তাঁর দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিজয়োল্লাস করে প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সেই স্মৃতি ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে অমলিন হয়ে থাকবে।
সোমবার বিসিবির ২০২৫ সালের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন মাহমুদউল্লাহ। তাঁকে রাখা হয়েছিল ‘বি’ ক্যাটাগরিতে। তখন থেকেই গুঞ্জন ছিল, ২২ গজ থেকে বিদায় নিয়ে নিতে পারেন তিনি। অবশেষে সেটিই সত্যি হলো।
চলতি মাসে গত শনিবার (১১ এপ্রিল) পর্যন্ত সব মিলিয়ে ১২১ কোটি ৮০ লাখ ডলার এসেছে। শেষ ৩ দিনে এসেছে ২৪ কোটি ডলারের বেশি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তার হাত থেকে পুরস্কারের ক্রেস্ট গ্রহণ করেন পূবালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ আলী।
জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথা জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, সফরকালে আনোয়ার ইব্রাহীমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে শ্রমবাজার সহজ করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।