
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তাঁর গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় পৌঁছেছেন।
যুক্তরাজ্যে উন্নত চিকিৎসা শেষে আজ মঙ্গলবার (৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেশে ফেরেন তিনি। তাঁর সঙ্গে দেশে ফিরেছেন দুই পুত্রবধূ জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শর্মিলা রহমান।
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে খালেদা জিয়া সরাসরি তাঁর গুলশান-২ নম্বরের ৭৯ নম্বর সড়কের বাসভবন ফিরোজায় রওনা দেন। বিমানবন্দর থেকে ফিরোজায় যাওয়ার সময় পথে পথে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান দলের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী। দুপুর ১টা ২৫ মিনিটের দিকে তিনি ফিরোজায় পৌঁছান।
খালেদা জিয়ার আগমন উপলক্ষে সকাল থেকে তাঁর বাসভবন এলাকায় ভিড় করেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। তাদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা।
খালেদা জিয়ার বাসভবন ও এর আশপাশের এলাকায় আগেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ফিরোজার প্রবেশপথ গুলশান-২ নম্বরের ৭৯ নম্বর সড়কের সামনে ব্যারিকেড দেওয়া হয়। সড়কটির দুই পাশে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ফিরোজার সামনে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়; পাশাপাশি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্সের (সিএসএফ) সদস্যরা।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা উপলক্ষে তাঁর গুলশানের বাসভবন ফিরোজা আগেই সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়। পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৮ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি দেওয়া এয়ার অ্যাম্বুলেন্স লন্ডনে যান তিনি। ওই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সেই আবার তিনি লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন।
আরও পড়ুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তাঁর গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় পৌঁছেছেন।
যুক্তরাজ্যে উন্নত চিকিৎসা শেষে আজ মঙ্গলবার (৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেশে ফেরেন তিনি। তাঁর সঙ্গে দেশে ফিরেছেন দুই পুত্রবধূ জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শর্মিলা রহমান।
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে খালেদা জিয়া সরাসরি তাঁর গুলশান-২ নম্বরের ৭৯ নম্বর সড়কের বাসভবন ফিরোজায় রওনা দেন। বিমানবন্দর থেকে ফিরোজায় যাওয়ার সময় পথে পথে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান দলের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী। দুপুর ১টা ২৫ মিনিটের দিকে তিনি ফিরোজায় পৌঁছান।
খালেদা জিয়ার আগমন উপলক্ষে সকাল থেকে তাঁর বাসভবন এলাকায় ভিড় করেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। তাদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা।
খালেদা জিয়ার বাসভবন ও এর আশপাশের এলাকায় আগেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ফিরোজার প্রবেশপথ গুলশান-২ নম্বরের ৭৯ নম্বর সড়কের সামনে ব্যারিকেড দেওয়া হয়। সড়কটির দুই পাশে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ফিরোজার সামনে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়; পাশাপাশি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্সের (সিএসএফ) সদস্যরা।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা উপলক্ষে তাঁর গুলশানের বাসভবন ফিরোজা আগেই সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়। পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৮ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি দেওয়া এয়ার অ্যাম্বুলেন্স লন্ডনে যান তিনি। ওই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সেই আবার তিনি লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন।
আরও পড়ুন
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।