
বাসস, ঢাকা

যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ১০৫ বাংলাদেশি। ইসরায়েলের আগ্রাসনের শিকার লেবাননে এই বাংলাদেশিরা আটকা পড়ে ছিলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, লেবাননের বাংলাদেশ মিশন ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম)-এর সহায়তায় গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে তারা দেশে ফিরে আসেন।
বাংলাদেশ সরকারের ভাড়া করা আমিরাত এয়ারলাইনসের ইকে-৫৮৪ ফ্লাইটে রাত ১১টায় তারা দেশে পৌঁছান। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৯টি ফ্লাইটে লেবানন থেকে নিরাপদে দেশে ফিরে এলেন মোট ৯৬৩ বাংলাদেশি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) প্রতিনিধিরা বিমানবন্দরে প্রবাসীদের স্বাগত জানান। প্রত্যেক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা, প্রয়োজনীয় খাদ্য এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছে আইওএম।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা চলমান সংঘর্ষের মধ্যে ফিরে আসা ব্যক্তিদের কাছ থেকে তাদের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।
লেবাননে ইসরায়েলের বোমা হামলায় কিছু দিন আগে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হন। লেবানন থেকে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসন ব্যয় বহন করছে বাংলাদেশ সরকার। আর যারা থাকতে চান, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য লেবানেনের বাংলাদেশ দূতাবাস প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ১০৫ বাংলাদেশি। ইসরায়েলের আগ্রাসনের শিকার লেবাননে এই বাংলাদেশিরা আটকা পড়ে ছিলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, লেবাননের বাংলাদেশ মিশন ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম)-এর সহায়তায় গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে তারা দেশে ফিরে আসেন।
বাংলাদেশ সরকারের ভাড়া করা আমিরাত এয়ারলাইনসের ইকে-৫৮৪ ফ্লাইটে রাত ১১টায় তারা দেশে পৌঁছান। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৯টি ফ্লাইটে লেবানন থেকে নিরাপদে দেশে ফিরে এলেন মোট ৯৬৩ বাংলাদেশি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) প্রতিনিধিরা বিমানবন্দরে প্রবাসীদের স্বাগত জানান। প্রত্যেক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা, প্রয়োজনীয় খাদ্য এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছে আইওএম।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা চলমান সংঘর্ষের মধ্যে ফিরে আসা ব্যক্তিদের কাছ থেকে তাদের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।
লেবাননে ইসরায়েলের বোমা হামলায় কিছু দিন আগে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হন। লেবানন থেকে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসন ব্যয় বহন করছে বাংলাদেশ সরকার। আর যারা থাকতে চান, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য লেবানেনের বাংলাদেশ দূতাবাস প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে নানা অভিযোগ ও সংকটে বৈদেশিক শ্রমবাজার সংকুচিত হয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসের পর থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এর আগেও নানা অভিযোগের কারণে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।