
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা আবেদনের সুবিধা ও সফরের জন্য ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করেছে মেক্সিকো। এতদিন ভিসা আবেদনের জন্য ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত মেক্সিকান দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হতো। এখন থেকে তা আর করতে হবে না।
নতুন ঘোষিত সুবিধার আওতায় বাংলাদেশিরা এখন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের যেকোনো মেক্সিকান দূতাবাস বা কনস্যুলেটে বা বিশ্বব্যাপী অন্যান্য স্থানে তাদের ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন। সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেক্সিকান অভিবাসন বিধিমালা অনুযায়ী সব দেশের দর্শনার্থীরা ভিসা ছাড়াই ১৮০ দিন পর্যন্ত দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি পাবেন। তবে শর্ত থাকে, তাদের বৈধ পাসপোর্ট এবং কানাডা, আমেরিকা, জাপান, যুক্তরাজ্য ও উত্তর আয়ারল্যান্ড বা শেনজেন অঞ্চলের যেকোনো দেশের বৈধ ভিসা থাকতে হবে।
এবারের এই সুবিধা বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর মধ্যে যোগাযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রচার, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগকে আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা আবেদনের সুবিধা ও সফরের জন্য ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করেছে মেক্সিকো। এতদিন ভিসা আবেদনের জন্য ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত মেক্সিকান দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হতো। এখন থেকে তা আর করতে হবে না।
নতুন ঘোষিত সুবিধার আওতায় বাংলাদেশিরা এখন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের যেকোনো মেক্সিকান দূতাবাস বা কনস্যুলেটে বা বিশ্বব্যাপী অন্যান্য স্থানে তাদের ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন। সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেক্সিকান অভিবাসন বিধিমালা অনুযায়ী সব দেশের দর্শনার্থীরা ভিসা ছাড়াই ১৮০ দিন পর্যন্ত দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি পাবেন। তবে শর্ত থাকে, তাদের বৈধ পাসপোর্ট এবং কানাডা, আমেরিকা, জাপান, যুক্তরাজ্য ও উত্তর আয়ারল্যান্ড বা শেনজেন অঞ্চলের যেকোনো দেশের বৈধ ভিসা থাকতে হবে।
এবারের এই সুবিধা বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর মধ্যে যোগাযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রচার, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগকে আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।