
প্রতিবেদক, বিডিজেন

‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫' জারি ও কার্যকরের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৭ মে) সারাদেশের সব সরকারি দপ্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছে সচিবালয় কর্মচারীরা।
একই দাবিতে সোমবার (২৬ মে) সকাল ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত সচিবালয়ে বিক্ষোভের পর কর্মচারী নেতারা মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
একইসঙ্গে সারাদেশের সব সরকারি দপ্তরে কর্মচারীদের একই কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সোমবার তৃতীয় দিনের কর্মসূচির মধ্যে সচিবালয় কর্মচারীদের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে বৈঠকের কথা থাকলেও, সেই বৈঠক হয়নি।
এরপরই নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে সচিবালয়ে কর্মরত-কর্মচারীদের সবগুলো সংগঠনের সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম 'বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম'।
এই অধ্যাদেশকে 'নিবর্তনমূলক ও কালাকানুন' আখ্যায়িত করে এটি প্রত্যাহার না হলে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে কর্মচারীরা জানিয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ সংশোধন করে 'সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫' এর খসড়া অনুমোদন হয়। এরপর ৩ দিনের মধ্যে রোববার (২৫ মে) রাতে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়।
এর মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের সরকারি কর্মচারী বিশেষ বিধান অধ্যাদেশ কিছুটা শিথিল হয়ে আবারও ফিরে এলো।
১৯৭৯ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ২ দফায় ৮ দিনের নোটিশে ব্যবস্থা নেওয়া যেত। নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করতে থাকা প্রশাসন ছাড়া অন্য ২৫ ক্যাডারের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার কলম-বিরতি কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। 'আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন পরিষদ'–এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বৈষম্যমূলকভাবে সাময়িক বরখাস্ত ও বিভাগীয় মামলার প্রতিবাদে এবং পেশাভিত্তিক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, ডিএস পুলের কোটা বাতিল ও সব ক্যাডারের সমতার দাবিতে মঙ্গলবার থেকে আবার কলম-বিরতিতে যাচ্ছেন ক্যাডাররা।
মঙ্গলবার ও পরশু বুধবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারাদেশে সিভিল সার্ভিসের ২৫ ক্যাডারের কর্মকর্তারা এ কর্মসূচি পালন করবেন। তবে, হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ অন্য জরুরি সেবা কার্যক্রম এই কলম-বিরতির আওতাবহির্ভূত থাকবে।
আরও পড়ুন

‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫' জারি ও কার্যকরের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৭ মে) সারাদেশের সব সরকারি দপ্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছে সচিবালয় কর্মচারীরা।
একই দাবিতে সোমবার (২৬ মে) সকাল ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত সচিবালয়ে বিক্ষোভের পর কর্মচারী নেতারা মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
একইসঙ্গে সারাদেশের সব সরকারি দপ্তরে কর্মচারীদের একই কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সোমবার তৃতীয় দিনের কর্মসূচির মধ্যে সচিবালয় কর্মচারীদের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে বৈঠকের কথা থাকলেও, সেই বৈঠক হয়নি।
এরপরই নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে সচিবালয়ে কর্মরত-কর্মচারীদের সবগুলো সংগঠনের সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম 'বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম'।
এই অধ্যাদেশকে 'নিবর্তনমূলক ও কালাকানুন' আখ্যায়িত করে এটি প্রত্যাহার না হলে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে কর্মচারীরা জানিয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ সংশোধন করে 'সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫' এর খসড়া অনুমোদন হয়। এরপর ৩ দিনের মধ্যে রোববার (২৫ মে) রাতে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়।
এর মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের সরকারি কর্মচারী বিশেষ বিধান অধ্যাদেশ কিছুটা শিথিল হয়ে আবারও ফিরে এলো।
১৯৭৯ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ২ দফায় ৮ দিনের নোটিশে ব্যবস্থা নেওয়া যেত। নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করতে থাকা প্রশাসন ছাড়া অন্য ২৫ ক্যাডারের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার কলম-বিরতি কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। 'আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন পরিষদ'–এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বৈষম্যমূলকভাবে সাময়িক বরখাস্ত ও বিভাগীয় মামলার প্রতিবাদে এবং পেশাভিত্তিক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, ডিএস পুলের কোটা বাতিল ও সব ক্যাডারের সমতার দাবিতে মঙ্গলবার থেকে আবার কলম-বিরতিতে যাচ্ছেন ক্যাডাররা।
মঙ্গলবার ও পরশু বুধবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারাদেশে সিভিল সার্ভিসের ২৫ ক্যাডারের কর্মকর্তারা এ কর্মসূচি পালন করবেন। তবে, হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ অন্য জরুরি সেবা কার্যক্রম এই কলম-বিরতির আওতাবহির্ভূত থাকবে।
আরও পড়ুন
এবারই প্রথম যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডার ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশি জনশক্তির সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’ প্রবর্তন করা হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ সেবা, বীমা, ব্যাংকিং সুবিধা এবং জরুরি সহায়তা একসঙ্গে দেওয়া হবে।”
ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল ও বীজসহ ৬০টি নিত্যপণ্যে উৎসে কর কমিয়ে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামানো হয়েছে। ৫, ২ ও ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে তা শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বাজারে স্বস্তি আনতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেটে একাধিক পণ্য ও সেবায় কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, যার ফলে সেসব ক্ষেত্রে দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কিছু খাতে শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।