
বিডিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভীকে ৫ মামলায় গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখিয়েছেন আদালত।
পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার (১২ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ রায় দিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
খবর প্রথম আলোর।
পুলিশ জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া থানায় করা ৫ মামলায় নদভীকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত শুনানি শেষে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠান।
এদিন সকাল ৮টায় নদভীকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। গত ১৫ ডিসেম্বর রাতে ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। সেখানে ঢাকার একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
চট্টগ্রাম জেলা কোর্ট পরিদর্শক হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘সকালে তাঁকে (নদভী) আমরা আদালতে হাজির করেছি। তাঁকে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা কারাগার থেকে চট্টগ্রামে আনা হয়। আদালত শুনানি শেষে তাঁকে ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।’
সূত্র: প্রথম আলো

চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভীকে ৫ মামলায় গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখিয়েছেন আদালত।
পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার (১২ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ রায় দিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
খবর প্রথম আলোর।
পুলিশ জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া থানায় করা ৫ মামলায় নদভীকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত শুনানি শেষে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠান।
এদিন সকাল ৮টায় নদভীকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। গত ১৫ ডিসেম্বর রাতে ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। সেখানে ঢাকার একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
চট্টগ্রাম জেলা কোর্ট পরিদর্শক হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘সকালে তাঁকে (নদভী) আমরা আদালতে হাজির করেছি। তাঁকে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা কারাগার থেকে চট্টগ্রামে আনা হয়। আদালত শুনানি শেষে তাঁকে ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।’
সূত্র: প্রথম আলো
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি