
প্রতিবেদক, বিডিজেন

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব প্রস্তুতি ডিসেম্বরের মধ্যে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আজ বুধবার (৯ জুলাই) রাত ৮টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।
শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে সব প্রস্তুতি ডিসেম্বরের মধ্যে নিতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা।
এ সময় নির্বাচনসংক্রান্ত আরও কিছু প্রস্তুতির কথা জানান উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে হওয়া কিছু অগ্রগতি নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন ঘিরে সব প্রস্তুতি ডিসেম্বরের মধ্যে নিতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা। ডিসেম্বরের মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করতে বলেছেন তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, প্রস্তুতির মধ্যে অনেকগুলো বিষয় আছে। যেমন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে (পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড) ১৭ হাজার নতুন সদস্য নেওয়া হচ্ছে। তাদের নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ যেন এ সময়ের মধ্যে শেষ হয়, সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি জানান, ভোটের সময় দায়িত্ব পালনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ লাখ সদস্যের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
প্রেস সচিব বলেন, মিটিংয়ে বলা হয়েছে, নির্বাচনে ৪৭ হাজার ভোটকেন্দ্র থাকবে এবং সমীক্ষা করে দেখা গেছে, এর মধ্যে ১৬ হাজারের মতো ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কীভাবে এসব কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ করা যায় সেজন্য প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশের বডি ক্যামেরা থাকবে এবং প্রতিটি কেন্দ্র যাতে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকে সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শফিকুল আলম জানান, প্রধান উপদেষ্টা নারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'অর্ধেক ভোটার নারী। কেউ যেন ভোটের অধিকার থেকে তাকে বঞ্চিত করতে না পারে। এজন্য পর্যাপ্ত নারী সদস্য ও কর্মকর্তা মোতায়েন থাকতে হবে।'
শফিকুল আলম আরও বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে অনেক পাঁয়তারা হয়, এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়। প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাতে নির্বাচন সামনে রেখে আগামী মাসগুলোয় কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করে।
নির্বাচনে ১৮ থেকে ৩২ বছর বয়সীদের জন্য আলাদা বুথ রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব প্রস্তুতি ডিসেম্বরের মধ্যে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আজ বুধবার (৯ জুলাই) রাত ৮টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।
শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে সব প্রস্তুতি ডিসেম্বরের মধ্যে নিতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা।
এ সময় নির্বাচনসংক্রান্ত আরও কিছু প্রস্তুতির কথা জানান উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে হওয়া কিছু অগ্রগতি নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন ঘিরে সব প্রস্তুতি ডিসেম্বরের মধ্যে নিতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা। ডিসেম্বরের মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করতে বলেছেন তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, প্রস্তুতির মধ্যে অনেকগুলো বিষয় আছে। যেমন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে (পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড) ১৭ হাজার নতুন সদস্য নেওয়া হচ্ছে। তাদের নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ যেন এ সময়ের মধ্যে শেষ হয়, সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি জানান, ভোটের সময় দায়িত্ব পালনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ লাখ সদস্যের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
প্রেস সচিব বলেন, মিটিংয়ে বলা হয়েছে, নির্বাচনে ৪৭ হাজার ভোটকেন্দ্র থাকবে এবং সমীক্ষা করে দেখা গেছে, এর মধ্যে ১৬ হাজারের মতো ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কীভাবে এসব কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ করা যায় সেজন্য প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশের বডি ক্যামেরা থাকবে এবং প্রতিটি কেন্দ্র যাতে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকে সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শফিকুল আলম জানান, প্রধান উপদেষ্টা নারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'অর্ধেক ভোটার নারী। কেউ যেন ভোটের অধিকার থেকে তাকে বঞ্চিত করতে না পারে। এজন্য পর্যাপ্ত নারী সদস্য ও কর্মকর্তা মোতায়েন থাকতে হবে।'
শফিকুল আলম আরও বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে অনেক পাঁয়তারা হয়, এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়। প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাতে নির্বাচন সামনে রেখে আগামী মাসগুলোয় কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করে।
নির্বাচনে ১৮ থেকে ৩২ বছর বয়সীদের জন্য আলাদা বুথ রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।