
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের অভিযান চালিয়ে ৫৬ বাংলাদেশিসহ ২১৮ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাজধানীর চেরাস এলাকার তামান মালুরিতে অভিযান শুরু হয়। দেশটির সংবাদ সংস্থা বার্নামার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অভিযানে লুকিয়ে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে থার্মাল ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যার মাধ্যমে ভবনের ছাদে লুকিয়ে থাকা ব্যক্তিদেরও খুঁজে বের করা সম্ভব হয়েছে।
পুরো অভিযানের নেতৃত্ব দেন ইমিগ্রেশনের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি। তিনি বলেন, থার্মাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রায় ১৫ জন বিদেশি নাগরিককে শনাক্ত করা হয়েছে, যারা গ্রেপ্তার এড়াতে দোকান ঘরের ছাদে লুকিয়েছিলেন। বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ভবনের উপরের তলায় অবস্থিত আবাসন এলাকাসহ মোট এক হাজার ৮৭ জনকে তল্লাশি করা হয়।
তিনি আরও বলেন, “তল্লাশিকৃতদের মধ্যে ১৮ থেকে ৫৩ বছর বয়সী ২১৮ জন বিদেশি নাগরিককে বিভিন্ন ইমিগ্রেশন অপরাধে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করা হয়েছে।”
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ ও ৫২ জন নারী রয়েছেন। তাদের মধ্যে মিয়ানমারের ৭৮ জন, বাংলাদেশের ৫৬ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৪৪ জন, নাইজেরিয়ার ১২ জন, নেপালের ১০ জন, ভারতের পাঁচজন, শ্রীলঙ্কার চারজন এবং অন্যান্য দেশের ৯ জন নাগরিক রয়েছেন।
দাতুক লোকমান জানান, আটক ব্যক্তিদের সবাইকে সেমেনিইহ ইমিগ্রেশন আটক কেন্দ্রে (ডিটেনশন ডিপো) রাখা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে তদন্ত করা হবে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা, ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থান, অস্বীকৃত কার্ড ব্যবহারসহ ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর অন্যান্য অপরাধ।
তিনি বলেন, “ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬, ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩ এবং মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানবিরোধী আইন ২০০৭-এর আওতায় আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশি নাগরিকদের শনাক্ত, গ্রেপ্তার, বিচার ও প্রত্যাবাসনের জন্য নিয়মিত অভিযান চালানো হবে।”
নিয়োগকর্তাদের সতর্ক করে তিনি বলেন, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বিদেশি নাগরিকদের নিয়োগ বা আশ্রয় দিলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে লোকমান এফেন্দি অবৈধ অভিবাসীদের ‘মাইগ্র্যান্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২.০’- এ অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান, যা এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। তিনি বলেন, এই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আরও কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের অভিযান চালিয়ে ৫৬ বাংলাদেশিসহ ২১৮ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাজধানীর চেরাস এলাকার তামান মালুরিতে অভিযান শুরু হয়। দেশটির সংবাদ সংস্থা বার্নামার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অভিযানে লুকিয়ে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে থার্মাল ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যার মাধ্যমে ভবনের ছাদে লুকিয়ে থাকা ব্যক্তিদেরও খুঁজে বের করা সম্ভব হয়েছে।
পুরো অভিযানের নেতৃত্ব দেন ইমিগ্রেশনের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি। তিনি বলেন, থার্মাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রায় ১৫ জন বিদেশি নাগরিককে শনাক্ত করা হয়েছে, যারা গ্রেপ্তার এড়াতে দোকান ঘরের ছাদে লুকিয়েছিলেন। বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ভবনের উপরের তলায় অবস্থিত আবাসন এলাকাসহ মোট এক হাজার ৮৭ জনকে তল্লাশি করা হয়।
তিনি আরও বলেন, “তল্লাশিকৃতদের মধ্যে ১৮ থেকে ৫৩ বছর বয়সী ২১৮ জন বিদেশি নাগরিককে বিভিন্ন ইমিগ্রেশন অপরাধে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করা হয়েছে।”
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ ও ৫২ জন নারী রয়েছেন। তাদের মধ্যে মিয়ানমারের ৭৮ জন, বাংলাদেশের ৫৬ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৪৪ জন, নাইজেরিয়ার ১২ জন, নেপালের ১০ জন, ভারতের পাঁচজন, শ্রীলঙ্কার চারজন এবং অন্যান্য দেশের ৯ জন নাগরিক রয়েছেন।
দাতুক লোকমান জানান, আটক ব্যক্তিদের সবাইকে সেমেনিইহ ইমিগ্রেশন আটক কেন্দ্রে (ডিটেনশন ডিপো) রাখা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে তদন্ত করা হবে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা, ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থান, অস্বীকৃত কার্ড ব্যবহারসহ ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর অন্যান্য অপরাধ।
তিনি বলেন, “ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬, ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩ এবং মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানবিরোধী আইন ২০০৭-এর আওতায় আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশি নাগরিকদের শনাক্ত, গ্রেপ্তার, বিচার ও প্রত্যাবাসনের জন্য নিয়মিত অভিযান চালানো হবে।”
নিয়োগকর্তাদের সতর্ক করে তিনি বলেন, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বিদেশি নাগরিকদের নিয়োগ বা আশ্রয় দিলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে লোকমান এফেন্দি অবৈধ অভিবাসীদের ‘মাইগ্র্যান্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২.০’- এ অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান, যা এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। তিনি বলেন, এই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আরও কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে।
অবৈধভাবে রোমানিয়ায় প্রবেশের সময় একটি মালবাহী ট্রাকের ভেতর লুকিয়ে থাকা ১০ জন অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী। মাইগ্রান্টস ইনফোর এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। আটককৃতরা বাংলাদেশ, মরক্কো, পাকিস্তান ও সিরিয়ার নাগরিক।
অভিযানে লুকিয়ে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে থার্মাল ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যার মাধ্যমে ভবনের ছাদে লুকিয়ে থাকা ব্যক্তিদেরও খুঁজে বের করা সম্ভব হয়েছে।
দেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৪৭ শতাংশ কৃষি খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৩ দশমিক ২১ শতাংশে সীমাবদ্ধ থাকা এবং কৃষিজমি হ্রাস, মাটির উর্বরতা অবনমন ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এ খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
জাপান যেতে ইচ্ছুক কর্মীকে ভাষার পরীক্ষা এন-৫ অথবা এন-৪ পাস করার পর টেকনিক্যাল ইন্টার্ন ট্রেনিং প্রোগ্রাম (টিআইটিপি) অথবা স্পেসিফাইড স্কিলড ওয়ার্কার (এসএসডব্লিউ) পরীক্ষায় পাস করতে হবে।