
প্রতিবেদক, বিডিজেন

অন্তর্বর্তী সরকারের সাম্প্রতিক কিছু কার্যক্রমে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। আজ ১২ নভেম্বর মঙ্গলবার সংগঠনের মুখপাত্র সামান্তা শারমিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগের কথা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সাম্প্রতিককালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কিছু কার্যক্রমে জাতীয় নাগরিক কমিটি উদ্বিগ্ন। জুলাই অভ্যুত্থানে যে ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বের আহ্বান জানানো হয়েছিল, সরকারের বর্তমান কর্মকাণ্ডে তা অনেকাংশেই প্রতিফলিত হচ্ছে না। উপদেষ্টা নিয়োগসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো সঠিক ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় এবং অভ্যুত্থানের অংশীজনদের সাথে পরামর্শের ভিত্তিতে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে আমরা মনে করি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অভ্যুত্থানের অংশীজনদের মতামত এবং পরামর্শকে গুরুত্ব না দিয়ে যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ।
এতে আরও বলা হয়, আমরা, জাতীয় নাগরিক কমিটি, রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ভবিষ্যতে অভ্যুত্থানের অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাম্প্রতিক কিছু কার্যক্রমে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। আজ ১২ নভেম্বর মঙ্গলবার সংগঠনের মুখপাত্র সামান্তা শারমিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগের কথা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সাম্প্রতিককালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কিছু কার্যক্রমে জাতীয় নাগরিক কমিটি উদ্বিগ্ন। জুলাই অভ্যুত্থানে যে ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বের আহ্বান জানানো হয়েছিল, সরকারের বর্তমান কর্মকাণ্ডে তা অনেকাংশেই প্রতিফলিত হচ্ছে না। উপদেষ্টা নিয়োগসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো সঠিক ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় এবং অভ্যুত্থানের অংশীজনদের সাথে পরামর্শের ভিত্তিতে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে আমরা মনে করি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অভ্যুত্থানের অংশীজনদের মতামত এবং পরামর্শকে গুরুত্ব না দিয়ে যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ।
এতে আরও বলা হয়, আমরা, জাতীয় নাগরিক কমিটি, রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ভবিষ্যতে অভ্যুত্থানের অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।