
বিডিজেন ডেস্ক

চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে ৬৫৪ কোটি ২০ লাখ ডলার প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। এ অর্থের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।
দেশটি থেকে ১০৩ কোটি ২১ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছে।
এ তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র (৯২ কোটি ৩ লাখ ডলার) ও সৌদি আরব (৮৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার)।
প্রবাসী আয় আসার দিক থেকে শীর্ষ দশে থাকা অন্য দেশগুলো হলো মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, ইতালি, কুয়েত, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রবাসী আয়ের তথ্য থেকে এ চিত্র পাওয়া গেছে।
জুলাই–সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসীরা বিদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। এই ব্যাংকের মাধ্যমে তিন মাসে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) ১২৬ কোটি ৩৪ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। এ তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ট্রাস্ট ব্যাংক (৬২ কোটি ৫ লাখ ডলার) ও অগ্রণী ব্যাংক (৪৭ কোটি ২৮ লাখ ডলার)।
বেশি আয় এসেছে ঢাকা জেলায়
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রবাসী আয়ের জেলাভিত্তিক থেকে তথ্য অনুযায়ী প্রবাষী আয় সবচেয়ে বেশি এসেছে ঢাকা জেলায়—২১৩ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। আর এ সময়ে সবচেয়ে কম প্রবাসী আয় এসেছে বান্দরবানে, মাত্র ৪৫ লাখ ডলার।
এতে দেখা গেছে, দেশের আটটি বিভাগের মধ্যে বরাবরের মতো ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোয় প্রবাসী আয়ের প্রবাহ সবচেয়ে বেশি। আর রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে কম।
বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, গত জুলাই–সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে ঢাকা বিভাগে, প্রায় ৪৭ শতাংশ। এরপর রয়েছে চট্টগ্রাম (২৮ শতাংশ), সিলেট (৯ শতাংশ), খুলনা (৫ শতাংশ), রাজশাহী (৪ শতাংশ) ও বরিশাল (৩ শতাংশ) বিভাগ। আর সবচেয়ে কম প্রবাসী আয় আসা দুই বিভাগ হলো (২ শতাংশ করে) রংপুর ও ময়মনসিংহ।
অন্যদিকে গত বছরের জুলাই–সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৩৩ দশমিক ৩২ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই মাসের পর থেকে প্রতি মাসেই প্রবাসী আয় বেড়েছে। জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৮ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছিল, যা বেড়ে আগস্টে ২২২ কোটি ৪২ লাখ ও সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ ডলার হয়েছে। তবে সর্বশেষ অক্টোবর মাসে সামান্য কমে তা ২৩৯ কোটি ডলার হয়েছে। তবে অক্টোবরে কোন জেলায় কত প্রবাসী আয় এসেছে, সে তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশ করেনি।
আয়ে শীর্ষ পাঁচ জেলা
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে দেশে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে ঢাকা জেলায়। এরপর রয়েছে যথাক্রমে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট ও নোয়াখালী জেলার অবস্থান। জুলাই–সেপ্টেম্বরে ঢাকা জেলায় ২১৩ কোটি ৮৭ লাখ ডলার, চট্টগ্রাম জেলায় ৫৩ কোটি ৮৫ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। এ ছাড়া কুমিল্লায় ৩৬ কোটি ২৫ লাখ, সিলেটে ৩১ কোটি ১৩ লাখ ও নোয়াখালী জেলায় ১৯ কোটি ৪৬ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছে একই সময়ে। সব মিলিয়ে জুলাই–সেপ্টেম্বরে মোট প্রবাসী আয়ের ৫৪ দশমিক ২০ শতাংশই এসেছে এই পাঁচ জেলায়।
কম আয় যেসব জেলায়
চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে প্রবাসী আয়ে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বান্দরবান জেলা। এই জেলায় তিন মাসে এসেছে মাত্র ৪৫ লাখ ডলার। প্রবাসী আয়ে একেবারে শেষ দিকে থাকা অপর চারটি জেলা হলো লালমনিরহাট, রাঙামাটি, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও। লালমনিরহাটে ৫৭ লাখ ডলার, রাঙামাটিতে ৫৮ লাখ, পঞ্চগড়ে ৬৭ লাখ ও ঠাকুরগাঁওয়ে ৯১ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। এক কোটি ডলারের কম রেমিট্যান্স এসেছে, এমন আরও দুটি জেলা হলো খাগড়াছড়ি (৯৩ লাখ ডলার) ও জয়পুরহাট (৯৫ লাখ ডলার)।

চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে ৬৫৪ কোটি ২০ লাখ ডলার প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। এ অর্থের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।
দেশটি থেকে ১০৩ কোটি ২১ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছে।
এ তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র (৯২ কোটি ৩ লাখ ডলার) ও সৌদি আরব (৮৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার)।
প্রবাসী আয় আসার দিক থেকে শীর্ষ দশে থাকা অন্য দেশগুলো হলো মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, ইতালি, কুয়েত, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রবাসী আয়ের তথ্য থেকে এ চিত্র পাওয়া গেছে।
জুলাই–সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসীরা বিদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। এই ব্যাংকের মাধ্যমে তিন মাসে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) ১২৬ কোটি ৩৪ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। এ তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ট্রাস্ট ব্যাংক (৬২ কোটি ৫ লাখ ডলার) ও অগ্রণী ব্যাংক (৪৭ কোটি ২৮ লাখ ডলার)।
বেশি আয় এসেছে ঢাকা জেলায়
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রবাসী আয়ের জেলাভিত্তিক থেকে তথ্য অনুযায়ী প্রবাষী আয় সবচেয়ে বেশি এসেছে ঢাকা জেলায়—২১৩ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। আর এ সময়ে সবচেয়ে কম প্রবাসী আয় এসেছে বান্দরবানে, মাত্র ৪৫ লাখ ডলার।
এতে দেখা গেছে, দেশের আটটি বিভাগের মধ্যে বরাবরের মতো ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোয় প্রবাসী আয়ের প্রবাহ সবচেয়ে বেশি। আর রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে কম।
বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, গত জুলাই–সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে ঢাকা বিভাগে, প্রায় ৪৭ শতাংশ। এরপর রয়েছে চট্টগ্রাম (২৮ শতাংশ), সিলেট (৯ শতাংশ), খুলনা (৫ শতাংশ), রাজশাহী (৪ শতাংশ) ও বরিশাল (৩ শতাংশ) বিভাগ। আর সবচেয়ে কম প্রবাসী আয় আসা দুই বিভাগ হলো (২ শতাংশ করে) রংপুর ও ময়মনসিংহ।
অন্যদিকে গত বছরের জুলাই–সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৩৩ দশমিক ৩২ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই মাসের পর থেকে প্রতি মাসেই প্রবাসী আয় বেড়েছে। জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৮ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছিল, যা বেড়ে আগস্টে ২২২ কোটি ৪২ লাখ ও সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ ডলার হয়েছে। তবে সর্বশেষ অক্টোবর মাসে সামান্য কমে তা ২৩৯ কোটি ডলার হয়েছে। তবে অক্টোবরে কোন জেলায় কত প্রবাসী আয় এসেছে, সে তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশ করেনি।
আয়ে শীর্ষ পাঁচ জেলা
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে দেশে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে ঢাকা জেলায়। এরপর রয়েছে যথাক্রমে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট ও নোয়াখালী জেলার অবস্থান। জুলাই–সেপ্টেম্বরে ঢাকা জেলায় ২১৩ কোটি ৮৭ লাখ ডলার, চট্টগ্রাম জেলায় ৫৩ কোটি ৮৫ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। এ ছাড়া কুমিল্লায় ৩৬ কোটি ২৫ লাখ, সিলেটে ৩১ কোটি ১৩ লাখ ও নোয়াখালী জেলায় ১৯ কোটি ৪৬ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছে একই সময়ে। সব মিলিয়ে জুলাই–সেপ্টেম্বরে মোট প্রবাসী আয়ের ৫৪ দশমিক ২০ শতাংশই এসেছে এই পাঁচ জেলায়।
কম আয় যেসব জেলায়
চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে প্রবাসী আয়ে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বান্দরবান জেলা। এই জেলায় তিন মাসে এসেছে মাত্র ৪৫ লাখ ডলার। প্রবাসী আয়ে একেবারে শেষ দিকে থাকা অপর চারটি জেলা হলো লালমনিরহাট, রাঙামাটি, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও। লালমনিরহাটে ৫৭ লাখ ডলার, রাঙামাটিতে ৫৮ লাখ, পঞ্চগড়ে ৬৭ লাখ ও ঠাকুরগাঁওয়ে ৯১ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। এক কোটি ডলারের কম রেমিট্যান্স এসেছে, এমন আরও দুটি জেলা হলো খাগড়াছড়ি (৯৩ লাখ ডলার) ও জয়পুরহাট (৯৫ লাখ ডলার)।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি