
বিডিজেন ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ও তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ আহস্ট) বিকেলে সিলেটের ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজারে এক সুধী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘এই বছরই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসবেন। তফসিল আশা করি নভেম্বরে ঘোষণা হবে, এই বছরেই তো ঘোষণা হবে। উনাকে এই বছরেই পাবেন ইনশা আল্লাহ। উনি এই নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যেই আসবেন। উনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন। উনার সঙ্গে এখন সবার মতবিনিময় করার আগ্রহ। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সবারই জানার আগ্রহ আছে তাঁর কাছ থেকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘উনি (তারেক রহমান) যেহেতু একটি প্রধান দলের রাজনৈতিক নেতা, স্বাভাবিকভাবে উনাকে ঘিরে একটা সিকিউরিটির ব্যাপার আছে। এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ড. ইউনূস সাহেব তো বলেছেন, এখন উনার কাজটাই হবে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করে নির্বাচন দেওয়া। আশা করছি, উনি এই ৪-৫ মাসের মধ্যে দেশে ফিরবেন। আর তারেক রহমানই আগামীর প্রধানমন্ত্রী হবেন।’
যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সম্প্রতি তারেক রহমানের বৈঠক প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, বৈঠকটি ছিল সৌজন্যমূলক। তবে আলোচনায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তারেক রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি এবং তিনি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা ইত্যাদি বিষয় উঠে এসেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ও তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ আহস্ট) বিকেলে সিলেটের ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজারে এক সুধী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘এই বছরই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসবেন। তফসিল আশা করি নভেম্বরে ঘোষণা হবে, এই বছরেই তো ঘোষণা হবে। উনাকে এই বছরেই পাবেন ইনশা আল্লাহ। উনি এই নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যেই আসবেন। উনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন। উনার সঙ্গে এখন সবার মতবিনিময় করার আগ্রহ। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সবারই জানার আগ্রহ আছে তাঁর কাছ থেকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘উনি (তারেক রহমান) যেহেতু একটি প্রধান দলের রাজনৈতিক নেতা, স্বাভাবিকভাবে উনাকে ঘিরে একটা সিকিউরিটির ব্যাপার আছে। এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ড. ইউনূস সাহেব তো বলেছেন, এখন উনার কাজটাই হবে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করে নির্বাচন দেওয়া। আশা করছি, উনি এই ৪-৫ মাসের মধ্যে দেশে ফিরবেন। আর তারেক রহমানই আগামীর প্রধানমন্ত্রী হবেন।’
যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সম্প্রতি তারেক রহমানের বৈঠক প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, বৈঠকটি ছিল সৌজন্যমূলক। তবে আলোচনায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তারেক রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি এবং তিনি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা ইত্যাদি বিষয় উঠে এসেছে।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।