
বিডিজেন ডেস্ক

সুযোগের অপেক্ষায় প্রবাসী ফুটবলার ফাহমিদুল ইসলাম। আলোচিত এই প্রবাসী ফুটবলার আবারও আসতে চান বাংলাদেশে। গত মার্চে ভারত ম্যাচের জন্য ইতালিপ্রবাসী ফাহমিদুলকে প্রাথমিক দলে সুযোগ করে দিয়েছিলেন হাভিয়ের কাবরেরা। কিন্তু সৌদি আরবের তায়েফে অনুশীলন ক্যাম্পের পর চূড়ান্ত দলে জায়গা পাননি তিনি। পরে সৌদি থেকেই ফিরে যান ইতালিতে। এ জন্য বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকেরা কাবরেরাকে নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছিলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
খবর আজকের পত্রিকার।
কোচ কাবরেরাই পরখ করার জন্য ফাহমিদুলকে নিয়ে আসেন। তায়েফে প্রস্তুতি ম্যাচে অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বলেও শোনা গিয়েছিল। তবে কাবরেরা সন্তুষ্ট হতে পারেননি ফাহমিদুলের খেলায়। ফাহমিদুলের জন্য আরও সময় লাগবে বলেও জানায় বাফুফে। সৌদি থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে, যা নিয়ে পরে তুমুল তর্কবিতর্কও হয়েছিল।
তবে গতকাল টি স্পোর্টসে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ফাহমিদুল জানিয়েছেন, বাংলাদেশ দলের হয়ে খেলার অপেক্ষায় আছেন তিনি। মিস করছেন জাতীয় দলের ফুটবলারদের। তিনি বলেন, ‘সেটা ছিল খুবই ভালো অভিজ্ঞতা (বাংলাদেশ দলের সঙ্গে ক্যাম্প)। বলার অপেক্ষা রাখে না, সবাইকে মিস করছি। সবাইকে তো অবশ্যই মিস করছি, সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল। কারও সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক ছিল না। সবার সঙ্গে এখনো আমার কথা হয়। সেদিন জামাল (ভূঁইয়া) ভাইয়ের জন্মদিন ছিল, তাঁকে হ্যাপি বার্থডে জানিয়েছি। সবাইকে মিস করছি। আবার ইনশা আল্লাহ–আল্লাহ চাইলে একসঙ্গে খেলব।’
বাংলাদেশ দলের সাবেক ফুটবলার ও ফুটবল ক্লাব ফর্টিসের ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম প্রশিক্ষণ নিতে গেছেন হাঙ্গেরিতে। সে প্রশিক্ষণের ফাঁকে গতকাল তিনি ইতালিতে গিয়েছিলেন ফাহমিদুলকে দেখতে। তাঁর লিগ দেখতে, বাংলাদেশে এই প্রবাসী ফুটবলার ইতালিতে কোন পর্যায়ে খেলেন। সেখানেই ফাহমিদুলের সঙ্গে তাঁর কথা হয়। বাংলাদেশের সমর্থকদের সমর্থনে উচ্ছ্বসিত ফাহমিদুল, ‘বাংলাদেশের ফুটবল দর্শকদের ধন্যবাদ। তারা আমাকে সমর্থন দিচ্ছে। যখন থেকে ওরা আমাকে চেনে, ওরা আমাকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আমিও আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে উচ্ছ্বসিত করব আরও। ইনশা আল্লাহ আল্লাহ যদি চান, আমি আবার বাংলাদেশে খেলব। ওদেরকে আর কি বলব, ওরা তো আমাকে সব সময় ওপরে রাখছে।’
ফাহিমদুলকে দেখতে গিয়ে, গ্যালারিতে রাশেদের কাছে ছিল বাংলাদেশের পতাকা। সেটি দেখে যেন কিছুটা আবেগী হয়ে উঠলেন ফাহমিদুল, ‘আমার অনুভূতি অবশ্যই ভালো ছিল, প্রথমবার আমি আমার নিজের দেশের পতাকা দেখেছি গ্যালারির মধ্যে। এটা খুবই ভালো ছিল, ভালো অভিজ্ঞতা। ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি অনেক দূর থেকে এসেছেন, আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।’
সূত্র: আজকের পত্রিকা

সুযোগের অপেক্ষায় প্রবাসী ফুটবলার ফাহমিদুল ইসলাম। আলোচিত এই প্রবাসী ফুটবলার আবারও আসতে চান বাংলাদেশে। গত মার্চে ভারত ম্যাচের জন্য ইতালিপ্রবাসী ফাহমিদুলকে প্রাথমিক দলে সুযোগ করে দিয়েছিলেন হাভিয়ের কাবরেরা। কিন্তু সৌদি আরবের তায়েফে অনুশীলন ক্যাম্পের পর চূড়ান্ত দলে জায়গা পাননি তিনি। পরে সৌদি থেকেই ফিরে যান ইতালিতে। এ জন্য বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকেরা কাবরেরাকে নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছিলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
খবর আজকের পত্রিকার।
কোচ কাবরেরাই পরখ করার জন্য ফাহমিদুলকে নিয়ে আসেন। তায়েফে প্রস্তুতি ম্যাচে অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বলেও শোনা গিয়েছিল। তবে কাবরেরা সন্তুষ্ট হতে পারেননি ফাহমিদুলের খেলায়। ফাহমিদুলের জন্য আরও সময় লাগবে বলেও জানায় বাফুফে। সৌদি থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে, যা নিয়ে পরে তুমুল তর্কবিতর্কও হয়েছিল।
তবে গতকাল টি স্পোর্টসে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ফাহমিদুল জানিয়েছেন, বাংলাদেশ দলের হয়ে খেলার অপেক্ষায় আছেন তিনি। মিস করছেন জাতীয় দলের ফুটবলারদের। তিনি বলেন, ‘সেটা ছিল খুবই ভালো অভিজ্ঞতা (বাংলাদেশ দলের সঙ্গে ক্যাম্প)। বলার অপেক্ষা রাখে না, সবাইকে মিস করছি। সবাইকে তো অবশ্যই মিস করছি, সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল। কারও সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক ছিল না। সবার সঙ্গে এখনো আমার কথা হয়। সেদিন জামাল (ভূঁইয়া) ভাইয়ের জন্মদিন ছিল, তাঁকে হ্যাপি বার্থডে জানিয়েছি। সবাইকে মিস করছি। আবার ইনশা আল্লাহ–আল্লাহ চাইলে একসঙ্গে খেলব।’
বাংলাদেশ দলের সাবেক ফুটবলার ও ফুটবল ক্লাব ফর্টিসের ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম প্রশিক্ষণ নিতে গেছেন হাঙ্গেরিতে। সে প্রশিক্ষণের ফাঁকে গতকাল তিনি ইতালিতে গিয়েছিলেন ফাহমিদুলকে দেখতে। তাঁর লিগ দেখতে, বাংলাদেশে এই প্রবাসী ফুটবলার ইতালিতে কোন পর্যায়ে খেলেন। সেখানেই ফাহমিদুলের সঙ্গে তাঁর কথা হয়। বাংলাদেশের সমর্থকদের সমর্থনে উচ্ছ্বসিত ফাহমিদুল, ‘বাংলাদেশের ফুটবল দর্শকদের ধন্যবাদ। তারা আমাকে সমর্থন দিচ্ছে। যখন থেকে ওরা আমাকে চেনে, ওরা আমাকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আমিও আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে উচ্ছ্বসিত করব আরও। ইনশা আল্লাহ আল্লাহ যদি চান, আমি আবার বাংলাদেশে খেলব। ওদেরকে আর কি বলব, ওরা তো আমাকে সব সময় ওপরে রাখছে।’
ফাহিমদুলকে দেখতে গিয়ে, গ্যালারিতে রাশেদের কাছে ছিল বাংলাদেশের পতাকা। সেটি দেখে যেন কিছুটা আবেগী হয়ে উঠলেন ফাহমিদুল, ‘আমার অনুভূতি অবশ্যই ভালো ছিল, প্রথমবার আমি আমার নিজের দেশের পতাকা দেখেছি গ্যালারির মধ্যে। এটা খুবই ভালো ছিল, ভালো অভিজ্ঞতা। ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি অনেক দূর থেকে এসেছেন, আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।’
সূত্র: আজকের পত্রিকা
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের টাকায় আমরা মন্ত্রণালয়ে বসে থাকি। তাই তাদের সুযোগ-সুবিধার জন্য যা যা প্রয়োজন সব করব। এ ছাড়া, প্রবাসীদের লাশ কোনো খরচ ছাড়া দেশে নিয়ে আসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করব।