
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রবাসীদের মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আইন ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
আজ বুধবার (১১ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এক ভিডিও পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি মিটিং হয়েছে। সেখানে আমি ছিলাম। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা ছিলেন। সেখানে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।’
উপদেষ্টা বলেন, প্রবাসীদের এমআরপি নিয়ে খুবই সমস্যা হচ্ছে এটা আমরা জানি। এই ১৫ ডিসেম্বর থেকে আপনারা এমআরপি পাওয়া শুরু করবেন এবং পরবর্তী ৩ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যেকে যারা এমআরপির আবেদন করেছেন তারা পেয়ে যাবেন।
তিনি বলেন, ‘প্রথম প্রায়োরিটি দেওয়া হচ্ছে সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ার বাংলাদেশি প্রবাসীদের। এরপর যেসব দেশে ডিমান্ড বেশি তাদেরকে প্রায়োরিটি দিয়ে এই সমস্যা তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে সমাধান করা হবে।’
আসিফ নজরুল বলেন, ‘এত পরিমাণ এমআরপি ছাপানো হচ্ছে যে আগামী দুই তিন বছরে এই সমস্যা আর কখনো হবে না।’ প্রবাসীদের এমআরপি নিয়ে অনেক কষ্ট, দুর্ভোগ ও অনেক ধরনের হয়রানি হয়েছে জানিয়ে তার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘এই সমস্যা হয়েছে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে। তৎকালীন যে মন্ত্রী ছিলেন উনি পাসপোর্ট ছাপানোর কাজটা ওনার একটা পরিচিত কোম্পানিকে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। সেই প্রক্রিয়ায় জন্য দেড় বছর সময় ক্ষেপণ হয়। আমরা আসার পর ওই পুরো প্রক্রিয়া বাতিল করে ফাস্টেস্ট ওয়েতে যাওয়ার জন্য একটু সময় লেগেছে।’
ই পাসপোর্ট বিষয়ে আসিফ নজরুল বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে প্রবাসীদের সহযোগিতা করার জন্য আমাদের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দরকার হলে এখান থেকে টিম যাবে বায়োমেট্রিক ডেটা নেওয়ার জন্য। সেগুলো পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

প্রবাসীদের মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আইন ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
আজ বুধবার (১১ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এক ভিডিও পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি মিটিং হয়েছে। সেখানে আমি ছিলাম। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা ছিলেন। সেখানে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।’
উপদেষ্টা বলেন, প্রবাসীদের এমআরপি নিয়ে খুবই সমস্যা হচ্ছে এটা আমরা জানি। এই ১৫ ডিসেম্বর থেকে আপনারা এমআরপি পাওয়া শুরু করবেন এবং পরবর্তী ৩ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যেকে যারা এমআরপির আবেদন করেছেন তারা পেয়ে যাবেন।
তিনি বলেন, ‘প্রথম প্রায়োরিটি দেওয়া হচ্ছে সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ার বাংলাদেশি প্রবাসীদের। এরপর যেসব দেশে ডিমান্ড বেশি তাদেরকে প্রায়োরিটি দিয়ে এই সমস্যা তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে সমাধান করা হবে।’
আসিফ নজরুল বলেন, ‘এত পরিমাণ এমআরপি ছাপানো হচ্ছে যে আগামী দুই তিন বছরে এই সমস্যা আর কখনো হবে না।’ প্রবাসীদের এমআরপি নিয়ে অনেক কষ্ট, দুর্ভোগ ও অনেক ধরনের হয়রানি হয়েছে জানিয়ে তার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘এই সমস্যা হয়েছে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে। তৎকালীন যে মন্ত্রী ছিলেন উনি পাসপোর্ট ছাপানোর কাজটা ওনার একটা পরিচিত কোম্পানিকে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। সেই প্রক্রিয়ায় জন্য দেড় বছর সময় ক্ষেপণ হয়। আমরা আসার পর ওই পুরো প্রক্রিয়া বাতিল করে ফাস্টেস্ট ওয়েতে যাওয়ার জন্য একটু সময় লেগেছে।’
ই পাসপোর্ট বিষয়ে আসিফ নজরুল বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে প্রবাসীদের সহযোগিতা করার জন্য আমাদের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দরকার হলে এখান থেকে টিম যাবে বায়োমেট্রিক ডেটা নেওয়ার জন্য। সেগুলো পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।