
প্রতিবেদক, বিডিজেন

রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত এক বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ ফেরত আনতে মন্ত্রণালয়ের ঘুরে ঘুরে হয়রান হয়ে পড়েছেন নিহতের বড় ভাই মো. রফিক আমিন শেখ। যুদ্ধে নিহত যুবকের নাম ইয়াসিন মিয়া শেখ। ২০২৫ সালের ১ জুলাই তার মারা যাওয়ার খবর পায় পরিবার।
খবর পাওয়ার পর তার মরদেহ ফেরত আনতে পরিবারের পক্ষে মো. রফিক আমিন শেখ ২০২৫ সালের ২২ জুলাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। আবেদন করা পর তিনি এখনো মরদেহ ফেরত আনার বিষয়ে তিনি কিছু জানতে পারেননি। এ ছাড়া, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ইয়াসিন শেখের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে কি না এবং করা হলে সংরক্ষিত আছে কি না, সে সম্পর্কেও তিনি কিছুই জানেন না।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও কল্যাণ বিভাগের মহাপরিচালক বরাবর আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, “আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী মো. রুহুল আমিন শেখ, জাতীয় পরিচয়পত্র নং- ৫৫৫৫০৬৫৬১৩, পিতা- মৃত আব্দুস সাত্তার, সাং- মরিচালী, ডাকঘর- ডৌহাখলা, উপজেলা- গৌরীপুর, জেলা- ময়মনসিংহ। এই মর্মে জানাইতেছি, আমার সহোদর ছোট ভাই ইয়াসিন মিয়া শেখ, যার জাতীয় পরিচয়পত্র নং ৪২১১১৭০৪০৪, পাসপোর্ট নং- এ ১০৯৮৬৯১৩, জন্ম তারিখ ১৮/০৫/২০০৩। সে ইংরেজি ০৪/০৯/২০২৪ খ্রি. তারিখে এক কোম্পানির চাকরি করার উদ্দেশ্যে রাশিয়া গমণ করে। রাশিয়া গিয়ে সেনুরা কোম্পানিতে প্রায় তিন মাস চাকরি করে। পরবর্তীতে জানতে পারি, রাশিয়া সেনাবাহিনীতে চুক্তিভিত্তিক ২২/১২/২৪ খ্রি. তারিখে নিয়োগ গ্রহণ করে যোগদান করে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। এ বিষয়ে তার ফেসবুক আইডি (https://www.facebook.com/mdzeasin sheik 9)-যুদ্ধরত অবস্থায় ও যাওয়ার বিস্তারিত তথ্য আপলোড করে। সবশেষ মা ফিরোজা বেগমের সাথে [তার] কথা হয় ২৫/০৩/২০২৫ খ্রি. তারিখে। এই দিনের পর থেকে তার সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ০১/০৪/২০২৫ খ্রি. তারিখে ইয়াছিনের সহযোদ্ধা রাকিবের মাধ্যমে প্রথমে জানতে পারি আমার ভাই মারা গেছে। পরবর্তীতে সহযোদ্ধা মেহেদী, জয় কুণ্ড, নীরব ও রাব্বি—ওদের নিকট যোগাযোগ করলে জানতে পারি, আমার ছোট ভাই ইয়াসিন শেখ ২৭/০৩/২০২৫ খ্রি. যুদ্ধে মিসাইল আক্রমণে সে মারা যায়। আমি ও আমার পরিবারের লোকজন ইয়াসিন শেখের লাশ ফেরত আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। একই সাথে বিদেশে অবস্থানরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করায় তার পরিবারকে প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাচ্ছি।”

গত ১১ জানুয়ারি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে মো. রুহুল আমিন শেখের সঙ্গে বিডিজেন প্রতিবেদকের দেখা হয়। তিনি বিডিজেনকে বলেন, “আমার ভাইয়ের লাশ ফেরত নিতে কত জায়গায় যে ঘুরতেছি তার ঠিক নাই। যে যেখানে বলতেছে সেখানে ঘুরতেছি। কিন্তু লাশ ফেরত নিয়ে আসার কোনো খবর পাচ্ছি না।”
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো কামরুল ইসলাম ভূইয়া বলেন, বিদেশ থেকে মরদেহ নিয়ে আসা একটু সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। কেউ আবেদন করলে সে অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং বিভাগের এক কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) বলেন, রাশিয়ায় গিয়ে একাধিক বাংলাদেশি যুদ্ধে জড়িয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে যেসব এজেন্সি তাদের রাশিয়া পাঠিয়েছে সেসব এজেন্সির তালিকা করেছি। আমরা দ্রুতই এসব বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেব। এ ছাড়া, মরদেহ নিয়ে আসার ব্যাপারেও কাজ চলছে।

রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত এক বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ ফেরত আনতে মন্ত্রণালয়ের ঘুরে ঘুরে হয়রান হয়ে পড়েছেন নিহতের বড় ভাই মো. রফিক আমিন শেখ। যুদ্ধে নিহত যুবকের নাম ইয়াসিন মিয়া শেখ। ২০২৫ সালের ১ জুলাই তার মারা যাওয়ার খবর পায় পরিবার।
খবর পাওয়ার পর তার মরদেহ ফেরত আনতে পরিবারের পক্ষে মো. রফিক আমিন শেখ ২০২৫ সালের ২২ জুলাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। আবেদন করা পর তিনি এখনো মরদেহ ফেরত আনার বিষয়ে তিনি কিছু জানতে পারেননি। এ ছাড়া, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ইয়াসিন শেখের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে কি না এবং করা হলে সংরক্ষিত আছে কি না, সে সম্পর্কেও তিনি কিছুই জানেন না।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও কল্যাণ বিভাগের মহাপরিচালক বরাবর আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, “আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী মো. রুহুল আমিন শেখ, জাতীয় পরিচয়পত্র নং- ৫৫৫৫০৬৫৬১৩, পিতা- মৃত আব্দুস সাত্তার, সাং- মরিচালী, ডাকঘর- ডৌহাখলা, উপজেলা- গৌরীপুর, জেলা- ময়মনসিংহ। এই মর্মে জানাইতেছি, আমার সহোদর ছোট ভাই ইয়াসিন মিয়া শেখ, যার জাতীয় পরিচয়পত্র নং ৪২১১১৭০৪০৪, পাসপোর্ট নং- এ ১০৯৮৬৯১৩, জন্ম তারিখ ১৮/০৫/২০০৩। সে ইংরেজি ০৪/০৯/২০২৪ খ্রি. তারিখে এক কোম্পানির চাকরি করার উদ্দেশ্যে রাশিয়া গমণ করে। রাশিয়া গিয়ে সেনুরা কোম্পানিতে প্রায় তিন মাস চাকরি করে। পরবর্তীতে জানতে পারি, রাশিয়া সেনাবাহিনীতে চুক্তিভিত্তিক ২২/১২/২৪ খ্রি. তারিখে নিয়োগ গ্রহণ করে যোগদান করে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। এ বিষয়ে তার ফেসবুক আইডি (https://www.facebook.com/mdzeasin sheik 9)-যুদ্ধরত অবস্থায় ও যাওয়ার বিস্তারিত তথ্য আপলোড করে। সবশেষ মা ফিরোজা বেগমের সাথে [তার] কথা হয় ২৫/০৩/২০২৫ খ্রি. তারিখে। এই দিনের পর থেকে তার সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ০১/০৪/২০২৫ খ্রি. তারিখে ইয়াছিনের সহযোদ্ধা রাকিবের মাধ্যমে প্রথমে জানতে পারি আমার ভাই মারা গেছে। পরবর্তীতে সহযোদ্ধা মেহেদী, জয় কুণ্ড, নীরব ও রাব্বি—ওদের নিকট যোগাযোগ করলে জানতে পারি, আমার ছোট ভাই ইয়াসিন শেখ ২৭/০৩/২০২৫ খ্রি. যুদ্ধে মিসাইল আক্রমণে সে মারা যায়। আমি ও আমার পরিবারের লোকজন ইয়াসিন শেখের লাশ ফেরত আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। একই সাথে বিদেশে অবস্থানরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করায় তার পরিবারকে প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাচ্ছি।”

গত ১১ জানুয়ারি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে মো. রুহুল আমিন শেখের সঙ্গে বিডিজেন প্রতিবেদকের দেখা হয়। তিনি বিডিজেনকে বলেন, “আমার ভাইয়ের লাশ ফেরত নিতে কত জায়গায় যে ঘুরতেছি তার ঠিক নাই। যে যেখানে বলতেছে সেখানে ঘুরতেছি। কিন্তু লাশ ফেরত নিয়ে আসার কোনো খবর পাচ্ছি না।”
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো কামরুল ইসলাম ভূইয়া বলেন, বিদেশ থেকে মরদেহ নিয়ে আসা একটু সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। কেউ আবেদন করলে সে অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং বিভাগের এক কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) বলেন, রাশিয়ায় গিয়ে একাধিক বাংলাদেশি যুদ্ধে জড়িয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে যেসব এজেন্সি তাদের রাশিয়া পাঠিয়েছে সেসব এজেন্সির তালিকা করেছি। আমরা দ্রুতই এসব বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেব। এ ছাড়া, মরদেহ নিয়ে আসার ব্যাপারেও কাজ চলছে।
সৌদি আরবগামী ২৮ বছর বয়সী পরিচ্ছন্নতা কর্মী মোহাম্মদ সাকিব জানান, মাত্র কিছুদিন আগে দেশে এসে বিয়ে করেছেন। কিন্তু বিয়ের আনন্দ কাটতে না কাটতেই যুদ্ধের খবর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দূতাবাস জানায়, যাদের এলএমআরএ-এর অধীন ভিসা রয়েছে, তারা ভিসা নবায়নের জন্য বাহরাইনে অবস্থানরত পরিচিত কোনো আত্মীয়স্বজন বা বন্ধুবান্ধবের মাধ্যমে এলএমআরএ-এর রেজিস্ট্রেশন সেন্টারগুলোর যেকোনো একটিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ যোগাযোগ করতে পারবেন।
দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, আগ্রহী যাত্রীরা সরাসরি কাতার এয়ারওয়েজের ওয়েবসাইট অথবা ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে এসব ফ্লাইটের টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। বিশেষ এই দুই ফ্লাইটের নির্ধারিত সময় সকাল ১০টা।
অভিযোগপত্রে রহিমা আক্তার আরও উল্লেখ করেন, আমি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে দুই লাখ টাকা এবং বাড়ি বন্ধক রেখে তিন লাখ টাকা লোন নিয়েছি। মোট পাঁচ লাখ টাকা এজেন্সিকে দিয়েছিলাম। এখন আমি কীভাবে কিস্তি ও সংসার চালাব? এজেন্সির প্রতারণার কারণে আমার ফ্যামিলির অবস্থা অনেক খারাপ।