
বিডিজেন ডেস্ক

বিএনপির নেতা-কর্মীদের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা প্রায়ই বলি, ষড়যন্ত্র থেমে যায়নি। আপনারা নিশ্চয়ই গত কয়েক দিনের পত্র-পত্রিকার খবর থেকে বুঝতে পারছেন।...কোথাও কিছু একটা ষড়যন্ত্র চলছে। কাজেই জনগণকে সচেতন করতে হবে, জনগণকে পাশে রাখতে হবে, জনগণের পাশে থাকতে হবে।’
মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ঢাকার কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি’ শীর্ষক কর্মশালায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে এ কথা বলেন। দিনব্যাপী এই কর্মশালা বিএনপি আয়োজন করে।
যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে কর্মশালায় তারেক রহমান বলেন, ‘গণতান্ত্রিক সভ্য দেশে ভোটের মাধ্যমে জবাবদিহি তৈরি হয়। এই ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য অসংখ্য নেতা-কর্মী গুম ও খুন হয়েছেন। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো মূল্যে জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।’
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতি যদি রুগ্ণ হয়, তাহলে সেই দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার, প্রশাসন—সবকিছুই রুগ্ণ হয়ে যাবে। মানুষ কোনো সুফল পাবে না। কাজেই বিএনপির প্রথম কাজ হচ্ছে দেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা, জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যার পর ছেলেমেয়েরা বাসায় ফিরতে দেরি করলে বাপ-মায়ের কাছে জবাব দিতে হয়। দেখুন, এই জবাবদিহি যদি না থাকত, তাহলে পরিবারের চিত্র কেমন হতো? গত ১৫ বছরে জবাবদিহি ছিল না বলেই এত গুম-খুন হয়েছে, নিশি রাতে ভোট হয়েছে, ডামি নির্বাচন হয়েছে। জবাবদিহি ছিল না বলেই দেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে।’
তারেক রহমান বলেন, এ সবকিছু যদি ঠিক করতে হয়, অবশ্যই জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আর এটি সম্ভব ভোট প্রয়োগের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে আগামী দিনে নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে, আমরা যদি দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারি; যদি জনগণের চাওয়া অনুযায়ী চলতে পারি; ইনশা আল্লাহ আগামী দিনে বিএনপি সরকার গঠন করবে। অর্থাৎ আগামী দিন পর্যন্ত একেবারে গ্রাম থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত জনগণের চাওয়ায় যদি চলতে পারি, তাহলে এটা সম্ভব।’
৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, এখন অনেক অনেক সংস্কারের কথা বলছে। যখন কেউ এ বিষয়ে চিন্তাই করেনি, সেই সময়ে বিএনপি ২৭ দফা সংস্কার প্রস্তাবনা দিয়েছিল। পরে এটা ৩১ দফা হয়েছে। তিনি বলেন, দেশকে নিয়ে, দেশের মানুষের ভালো কিছু করার জন্য বিএনপির যে চিন্তা, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হচ্ছে এই ৩১ দফা।
তিনি বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাবিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
এর আগে সকালে এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। প্রথম দিনে ঢাকা বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়। বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

বিএনপির নেতা-কর্মীদের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা প্রায়ই বলি, ষড়যন্ত্র থেমে যায়নি। আপনারা নিশ্চয়ই গত কয়েক দিনের পত্র-পত্রিকার খবর থেকে বুঝতে পারছেন।...কোথাও কিছু একটা ষড়যন্ত্র চলছে। কাজেই জনগণকে সচেতন করতে হবে, জনগণকে পাশে রাখতে হবে, জনগণের পাশে থাকতে হবে।’
মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ঢাকার কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি’ শীর্ষক কর্মশালায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে এ কথা বলেন। দিনব্যাপী এই কর্মশালা বিএনপি আয়োজন করে।
যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে কর্মশালায় তারেক রহমান বলেন, ‘গণতান্ত্রিক সভ্য দেশে ভোটের মাধ্যমে জবাবদিহি তৈরি হয়। এই ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য অসংখ্য নেতা-কর্মী গুম ও খুন হয়েছেন। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো মূল্যে জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।’
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতি যদি রুগ্ণ হয়, তাহলে সেই দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার, প্রশাসন—সবকিছুই রুগ্ণ হয়ে যাবে। মানুষ কোনো সুফল পাবে না। কাজেই বিএনপির প্রথম কাজ হচ্ছে দেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা, জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যার পর ছেলেমেয়েরা বাসায় ফিরতে দেরি করলে বাপ-মায়ের কাছে জবাব দিতে হয়। দেখুন, এই জবাবদিহি যদি না থাকত, তাহলে পরিবারের চিত্র কেমন হতো? গত ১৫ বছরে জবাবদিহি ছিল না বলেই এত গুম-খুন হয়েছে, নিশি রাতে ভোট হয়েছে, ডামি নির্বাচন হয়েছে। জবাবদিহি ছিল না বলেই দেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে।’
তারেক রহমান বলেন, এ সবকিছু যদি ঠিক করতে হয়, অবশ্যই জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আর এটি সম্ভব ভোট প্রয়োগের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে আগামী দিনে নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে, আমরা যদি দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারি; যদি জনগণের চাওয়া অনুযায়ী চলতে পারি; ইনশা আল্লাহ আগামী দিনে বিএনপি সরকার গঠন করবে। অর্থাৎ আগামী দিন পর্যন্ত একেবারে গ্রাম থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত জনগণের চাওয়ায় যদি চলতে পারি, তাহলে এটা সম্ভব।’
৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, এখন অনেক অনেক সংস্কারের কথা বলছে। যখন কেউ এ বিষয়ে চিন্তাই করেনি, সেই সময়ে বিএনপি ২৭ দফা সংস্কার প্রস্তাবনা দিয়েছিল। পরে এটা ৩১ দফা হয়েছে। তিনি বলেন, দেশকে নিয়ে, দেশের মানুষের ভালো কিছু করার জন্য বিএনপির যে চিন্তা, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হচ্ছে এই ৩১ দফা।
তিনি বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাবিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
এর আগে সকালে এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। প্রথম দিনে ঢাকা বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়। বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।
পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে পর্যটনমন্ত্রী বলেন, “পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে আগত দর্শনার্থীরা কোনো নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন।
জানা গেছে, লিমনের মরদেহ মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছেছে। তার জানাজার নামাজ বাদ মাগরিব স্থানীয় লালডোবা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে। ইতিমধ্যেই কবর খননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার শেরিফ ক্রোনিস্টার জানান, বৃষ্টির মরদেহের অবস্থার কারণে তাকে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করতে পুলিশকে ডেন্টাল রেকর্ড ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৩০ এপ্রিল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
এপ্রিলে প্রবাসী আয়ের এই জোয়ার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে দেশে সর্বমোট ২ হাজার ৯২১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বছর ব্যবধানে প্রবাসী আয়ের এই প্রবাহ বেড়েছে ১৯ দশমিক ৮০ শতাংশ।