
প্রতিবেদক, বিডিজেন

এক মাস সিয়াম সাধনার পর সাম্য-সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার বার্তা নিয়ে এসেছে ঈদ। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
এবারের ঈদের নামাজে এক অনন্য ও ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হলো দেশবাসী। দীর্ঘ ৩৭ বছর পর দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান একই সঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করলেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই প্রধান জামাতে অংশ নেন।
এর আগে সর্বশেষ ১৯৮৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ ও প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহম্মেদ একত্রে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ পড়েছিলেন।
নির্ধারিত সময়ের ১০ মিনিট আগে, অর্থাৎ সকাল ৮টা ২০ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে উপস্থিত হন। তার আসার ঠিক ৫ মিনিট আগে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এই জামাতে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা।
এ ছাড়াও, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং মুসলিম দেশগুলোর কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ এই জামাতে শরিক হন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলির মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
জাতীয় ঈদগাহে এবার প্রায় ৩ হাজার ৫০০ নারীসহ মোট ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের স্থান প্রস্তুত করা হয়। সেই সঙ্গে নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ, ওজু ও নামাজের সংরক্ষিত ব্যবস্থা ছিল। এ ছাড়া, পর্যাপ্ত ওজুখানাসহ মুসল্লিদের জন্য মেডিকেল টিমের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
এদিন সকাল থেকেই ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে জড়ো হতে থাকেন মুসল্লিরা। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ময়দানজুড়ে ছিল কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এক মাস সিয়াম সাধনার পর সাম্য-সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার বার্তা নিয়ে এসেছে ঈদ। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
এবারের ঈদের নামাজে এক অনন্য ও ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হলো দেশবাসী। দীর্ঘ ৩৭ বছর পর দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান একই সঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করলেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই প্রধান জামাতে অংশ নেন।
এর আগে সর্বশেষ ১৯৮৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ ও প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহম্মেদ একত্রে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ পড়েছিলেন।
নির্ধারিত সময়ের ১০ মিনিট আগে, অর্থাৎ সকাল ৮টা ২০ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে উপস্থিত হন। তার আসার ঠিক ৫ মিনিট আগে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এই জামাতে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা।
এ ছাড়াও, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং মুসলিম দেশগুলোর কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ এই জামাতে শরিক হন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলির মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
জাতীয় ঈদগাহে এবার প্রায় ৩ হাজার ৫০০ নারীসহ মোট ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের স্থান প্রস্তুত করা হয়। সেই সঙ্গে নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ, ওজু ও নামাজের সংরক্ষিত ব্যবস্থা ছিল। এ ছাড়া, পর্যাপ্ত ওজুখানাসহ মুসল্লিদের জন্য মেডিকেল টিমের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
এদিন সকাল থেকেই ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে জড়ো হতে থাকেন মুসল্লিরা। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ময়দানজুড়ে ছিল কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে একটি বৈদ্যুতিক প্যানেল বোর্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন ইব্রাহিম। কাজের একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে থাকা উচ্চক্ষমতার সার্কিট ব্রেকারে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি ইলেকট্রিক্যাল আর্ক ব্লাস্ট ঘটে।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা।
দুই পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেওয়ার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, দক্ষতার সনদায়ন জোরদার করা এবং কর্মীরা যাতে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন তা নিশ্চিত করা।”