
বিডিজেন ডেস্ক

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে হামলা ও সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছে।
খবর দ্য ডেইলি স্টারের।
আজ বুধবার (১৬ জুলাই) রাতে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জীবিতেশ বিশ্বাসের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন আবু সাঈদ মো. ফারুক।
তিনি জানান, গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত অন্তত ৪ জন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছে।
এর আগে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জীবিতেশ বিশ্বাস জানান, বিকেলে ২ জনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তারা গুলিবিদ্ধ ছিলেন।
তারা ২ জন হলেন—গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের বাসিন্দা দীপ্ত সাহা (২৫) ও কোটালীপাড়ার রমজান কাজী (১৮)।
সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার রাত ৮টা থেকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
'দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা'র অংশ হিসেবে আজ বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জ পৌর পার্কে এনসিপির সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সভার আগে এনসিপির সমাবেশস্থলে ২০০-৩০০ স্থানীয় জনগণ লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা মঞ্চের চেয়ার ভাঙচুর করে, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা সবাই স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সমর্থক।
সভা শেষে এনসিপি নেতারা গাড়িতে উঠে সমাবেশস্থল ত্যাগ করার সময় গাড়িবহরে হামলা হয়। গাড়িবহর লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়া হয়, গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
পুলিশ ও সেনাসদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি ছুড়ে ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। হামলাকারীরা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়ি লক্ষ্য করেও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।
বিকেল ৪টার দিকে এনসিপি নেতারা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থান নেন।
পরে বিকেল ৫টার দিকে তারা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় গোপালগঞ্জ ত্যাগ করেন।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে হামলা ও সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছে।
খবর দ্য ডেইলি স্টারের।
আজ বুধবার (১৬ জুলাই) রাতে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জীবিতেশ বিশ্বাসের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন আবু সাঈদ মো. ফারুক।
তিনি জানান, গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত অন্তত ৪ জন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছে।
এর আগে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জীবিতেশ বিশ্বাস জানান, বিকেলে ২ জনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তারা গুলিবিদ্ধ ছিলেন।
তারা ২ জন হলেন—গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের বাসিন্দা দীপ্ত সাহা (২৫) ও কোটালীপাড়ার রমজান কাজী (১৮)।
সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার রাত ৮টা থেকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
'দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা'র অংশ হিসেবে আজ বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জ পৌর পার্কে এনসিপির সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সভার আগে এনসিপির সমাবেশস্থলে ২০০-৩০০ স্থানীয় জনগণ লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা মঞ্চের চেয়ার ভাঙচুর করে, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা সবাই স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সমর্থক।
সভা শেষে এনসিপি নেতারা গাড়িতে উঠে সমাবেশস্থল ত্যাগ করার সময় গাড়িবহরে হামলা হয়। গাড়িবহর লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়া হয়, গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
পুলিশ ও সেনাসদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি ছুড়ে ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। হামলাকারীরা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়ি লক্ষ্য করেও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।
বিকেল ৪টার দিকে এনসিপি নেতারা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থান নেন।
পরে বিকেল ৫টার দিকে তারা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় গোপালগঞ্জ ত্যাগ করেন।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে ফ্লাইট চালুর কথা বলা হলেও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতার জন্য তা ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ শুরু থেকেই সংযম দেখানো, উত্তেজনা কমানো এবং আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়ে এসেছে।