
বিডিজেন ডেস্ক

সিলেটের কানাইঘাটে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করে সুরমা নদীর পাড়ে লাশ ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে সাতবাক ইউনিয়নের লুপারমুক বাজারের পাশে এ ঘটনা ঘটে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
নিহত সালিক আহমদ উপজেলার পূর্ব লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামের আজিজুর রহমান ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, সোমবার বাজার থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন সালিক। সুরমা নদীর পাশে আসামাত্র ৮-৯ জন মিলে হঠাৎ তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে তার লাশ নদীর পাড়ে ফেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আওয়াল জানান, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য তা সিলেট ওসমানী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে ওসি বলেন, ‘শুনেছি, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সালিক আহমদের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’ মামলা হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিলেটের কানাইঘাটে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করে সুরমা নদীর পাড়ে লাশ ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে সাতবাক ইউনিয়নের লুপারমুক বাজারের পাশে এ ঘটনা ঘটে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
নিহত সালিক আহমদ উপজেলার পূর্ব লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামের আজিজুর রহমান ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, সোমবার বাজার থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন সালিক। সুরমা নদীর পাশে আসামাত্র ৮-৯ জন মিলে হঠাৎ তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে তার লাশ নদীর পাড়ে ফেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আওয়াল জানান, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য তা সিলেট ওসমানী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে ওসি বলেন, ‘শুনেছি, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সালিক আহমদের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’ মামলা হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।