
বিডিজেন ডেস্ক

প্রবাসী ভোটারদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচনি সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার।
তিনি বলেন, নারী ভোটার ও প্রবাসী ভোটারদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত 'সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন, প্রার্থী ও নাগরিকদের ভূমিকা' শীর্ষক ছায়া সংসদে (বিতর্ক) বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
বদিউল আলম মজুদার বলেন, নির্বাচন কমিশনের পর নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হচ্ছে সরকার। সরকার যদি সহায়তা না করে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পক্ষেও সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব হবে না।
এ এম এম নাছির উদ্দীনের নেতৃত্বাধীন নবগঠিত নির্বাচন কমিশন প্রসঙ্গে সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, বৃক্ষের পরিচয় তার ফলেই। ‘তবে এই ইসির জন্য বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। কারণ, গতবারের মতো এবার ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কোনো চাপ নেই।’
নির্বাচনি ব্যবস্থার সংস্কার জরুরি উল্লেখ করে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘সংস্কারের (নির্বাচনি ব্যবস্থায়) জন্য অবশ্যই সময় দিতে হবে।’
তিনি বলেন, গত তিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংঘটিত অপরাধে জড়িতদের শাস্তি হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, ‘গত তিনটি নির্বাচনে যারা নির্বাচনি অপরাধ করেছেন, তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। সবচেয়ে বড় অপরাধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।’
বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, গত তিনটি জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে অনেক গণমাধ্যম প্রকৃত তথ্য দেয়নি।
তিনি বলেন, “নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গত তিনটি নির্বাচনে কিছু গণমাধ্যম ইচ্ছাকৃতভাবে সত্য কথা বলেনি। আবার কেউ কেউ সত্য গোপন করতে বাধ্য হয়েছে।”

প্রবাসী ভোটারদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচনি সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার।
তিনি বলেন, নারী ভোটার ও প্রবাসী ভোটারদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত 'সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন, প্রার্থী ও নাগরিকদের ভূমিকা' শীর্ষক ছায়া সংসদে (বিতর্ক) বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
বদিউল আলম মজুদার বলেন, নির্বাচন কমিশনের পর নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হচ্ছে সরকার। সরকার যদি সহায়তা না করে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পক্ষেও সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব হবে না।
এ এম এম নাছির উদ্দীনের নেতৃত্বাধীন নবগঠিত নির্বাচন কমিশন প্রসঙ্গে সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, বৃক্ষের পরিচয় তার ফলেই। ‘তবে এই ইসির জন্য বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। কারণ, গতবারের মতো এবার ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কোনো চাপ নেই।’
নির্বাচনি ব্যবস্থার সংস্কার জরুরি উল্লেখ করে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘সংস্কারের (নির্বাচনি ব্যবস্থায়) জন্য অবশ্যই সময় দিতে হবে।’
তিনি বলেন, গত তিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংঘটিত অপরাধে জড়িতদের শাস্তি হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, ‘গত তিনটি নির্বাচনে যারা নির্বাচনি অপরাধ করেছেন, তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। সবচেয়ে বড় অপরাধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।’
বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, গত তিনটি জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে অনেক গণমাধ্যম প্রকৃত তথ্য দেয়নি।
তিনি বলেন, “নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গত তিনটি নির্বাচনে কিছু গণমাধ্যম ইচ্ছাকৃতভাবে সত্য কথা বলেনি। আবার কেউ কেউ সত্য গোপন করতে বাধ্য হয়েছে।”
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।