logo
খবর

সংগীতশিল্পী সুজেয় শ্যাম মারা গেছেন

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক১৮ অক্টোবর ২০২৪
Copied!
সংগীতশিল্পী সুজেয় শ্যাম মারা গেছেন
সুজেয় শ্যাম। ছবি: সংগৃহীত

বরেণ্য সংগীতশিল্পী সুজেয় শ্যাম মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন মেয়ে রুপা মঞ্জুরী শ্যাম।

সুজেয় শ্যামের বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন সুজেয় শ্যাম। সম্প্রতি তাঁর হৃদ্‌যন্ত্রে ‘পেসমেকার’ বসানো হয়। পরে শিল্পীর শরীরের ভেতরে সংক্রমণ হয়। সংক্রমণ পরে রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া, ডায়াবেটিসও ছিল অনিয়ন্ত্রিত। কিডনির সমস্যাও ছিল। রাত ২টা ৫০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।

সুজেয় শ্যামের সুর করা গানগুলোর মধ্যে ‘রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি’, ‘রক্ত চাই রক্ত চাই’, ‘আহা ধন্য আমার জন্মভূমি’, ‘আয় রে চাষি মজুর কুলি’, ‘মুক্তির একই পথ সংগ্রাম’, ‘শোন রে তোরা শোন’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

একাত্তরে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শেষ গান এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর প্রথম গানটির সুর করেছিলেন সুজেয় শ্যাম। গীতিকার শহীদুল আমিনের লেখা ‘বিজয় নিশান উড়ছে ওই’ গানটির সুর ও সংগীত পরিচালনা করেন তিনি। সংগীতে অবদানের জন্য তিনি ২০১৮ সালে একুশে পদক এবং এর আগে ২০১৫ সালে পান শিল্পকলা পদক।

সুজেয় শ্যাম ১৯৪৬ সালের ১৪ মার্চ সিলেট জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা অমরেন্দ্র চন্দ্র শাহ ছিলেন ‘ইন্দ্রেশর-টি’ নামের একটি চা–বাগানের মালিক। তাঁর শৈশব কেটেছে সিলেটের চা–বাগানে। দশ ভাইবোনের মধ্যে সুজেয় ছিলেন ষষ্ঠ।

আরও দেখুন

সৌদি থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ফেরত নারীর পরিবারকে খুঁজে পেয়েছে পুলিশ

সৌদি থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ফেরত নারীর পরিবারকে খুঁজে পেয়েছে পুলিশ

মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি

২৯ মিনিট আগে

প্রবাসীদের জন্য দেওয়া নির্বাচনী ইশতেহার ১৮০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে: মন্ত্রী আরিফুল হক

প্রবাসীদের জন্য দেওয়া নির্বাচনী ইশতেহার ১৮০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে: মন্ত্রী আরিফুল হক

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের টাকায় আমরা মন্ত্রণালয়ে বসে থাকি। তাই তাদের সুযোগ-সুবিধার জন্য যা যা প্রয়োজন সব করব। এ ছাড়া, প্রবাসীদের লাশ কোনো খরচ ছাড়া দেশে নিয়ে আসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করব।

৮ ঘণ্টা আগে