
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সারা বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিম ব্যক্তিত্বের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এ তালিকায় তিনি ৫০তম অবস্থানে রয়েছেন। শীর্ষে রয়েছেন জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন।
জর্ডানের রাজধানী আম্মানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘দ্য রয়্যাল ইসলামিক স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টার (আরআইএসএসসি)’ ১৬তম বারের মতো বিশ্বের প্রভাবশালী মুসলমান ব্যক্তিদের এ তালিকা প্রকাশ করেছে। তাতে বাংলাদেশ থেকে রয়েছেন ড. ইউনূস।
‘দ্য মুসলিম ৫০০: দ্য ওয়ার্ল্ডস মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল মুসলিমস’ শিরোনামের এই তালিকাটি ২০০৯ সাল থেকে প্রতি বছর প্রকাশ করা হয়।
ধর্মীয় চিন্তাভাবনা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে শুরু করে শিল্প ও সংস্কৃতি পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে গভীরভাবে অবদান রাখছেন এমন ব্যক্তিরা এতে স্থান পান। নিজ দেশ ও দেশের বাইরে মুসলমান সম্প্রদায়কে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করে যাচ্ছেন, এমন ব্যক্তিরাও তালিকায় থাকেন।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. ইউনূস। গত আগস্টে বাংলাদেশের সরকারপতনের এই ঘটনা ‘দ্য মুসলিম ৫০০: দ্য ওয়ার্ল্ডস মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল মুসলিমস’ শিরোনামের এই তালিকার আগে উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া গাজাসহ বিভিন্ন ঘটনা উল্লেখ করা হয়। বছরের সেরা নারী নির্বাচিত হয়েছেন জর্ডানের রানি রানিয়া আল-আবদুল্লাহ। আর বছরের সেরা ব্যক্তিত্ব নির্বাচিত হয়েছেন ফিলিস্তিন নিয়ে কাজ করা ডা. ঘাসান আবু-সিত্তাহ।
তালিকায় ইরানের ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি চতুর্থ, তুরস্কের রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান অষ্টম, সৌদি যুবরাজ মোহম্মদ বিন সালমান ১২তম, ফুটবলার মোহাম্মদ সালাহ ৩৯তম অবস্থানে রয়েছেন।
তালিকায় ড. ইউনূসের নামের সঙ্গে বলা হয়, তিনি একজন বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ও সামাজিক নেতা। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে সংস্কারের কথা বলেছেন তিনি। দেশকে নতুন করে সাজানো শুরু করেছেন। এমনকি রোহিঙ্গাদের নিয়েও বিভিন্ন মহলে শুরু করেছেন আলোচনা। তাকে ‘গরীবের ব্যাংকার’ বলা হয়।

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সারা বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিম ব্যক্তিত্বের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এ তালিকায় তিনি ৫০তম অবস্থানে রয়েছেন। শীর্ষে রয়েছেন জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন।
জর্ডানের রাজধানী আম্মানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘দ্য রয়্যাল ইসলামিক স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টার (আরআইএসএসসি)’ ১৬তম বারের মতো বিশ্বের প্রভাবশালী মুসলমান ব্যক্তিদের এ তালিকা প্রকাশ করেছে। তাতে বাংলাদেশ থেকে রয়েছেন ড. ইউনূস।
‘দ্য মুসলিম ৫০০: দ্য ওয়ার্ল্ডস মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল মুসলিমস’ শিরোনামের এই তালিকাটি ২০০৯ সাল থেকে প্রতি বছর প্রকাশ করা হয়।
ধর্মীয় চিন্তাভাবনা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে শুরু করে শিল্প ও সংস্কৃতি পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে গভীরভাবে অবদান রাখছেন এমন ব্যক্তিরা এতে স্থান পান। নিজ দেশ ও দেশের বাইরে মুসলমান সম্প্রদায়কে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করে যাচ্ছেন, এমন ব্যক্তিরাও তালিকায় থাকেন।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. ইউনূস। গত আগস্টে বাংলাদেশের সরকারপতনের এই ঘটনা ‘দ্য মুসলিম ৫০০: দ্য ওয়ার্ল্ডস মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল মুসলিমস’ শিরোনামের এই তালিকার আগে উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া গাজাসহ বিভিন্ন ঘটনা উল্লেখ করা হয়। বছরের সেরা নারী নির্বাচিত হয়েছেন জর্ডানের রানি রানিয়া আল-আবদুল্লাহ। আর বছরের সেরা ব্যক্তিত্ব নির্বাচিত হয়েছেন ফিলিস্তিন নিয়ে কাজ করা ডা. ঘাসান আবু-সিত্তাহ।
তালিকায় ইরানের ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি চতুর্থ, তুরস্কের রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান অষ্টম, সৌদি যুবরাজ মোহম্মদ বিন সালমান ১২তম, ফুটবলার মোহাম্মদ সালাহ ৩৯তম অবস্থানে রয়েছেন।
তালিকায় ড. ইউনূসের নামের সঙ্গে বলা হয়, তিনি একজন বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ও সামাজিক নেতা। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে সংস্কারের কথা বলেছেন তিনি। দেশকে নতুন করে সাজানো শুরু করেছেন। এমনকি রোহিঙ্গাদের নিয়েও বিভিন্ন মহলে শুরু করেছেন আলোচনা। তাকে ‘গরীবের ব্যাংকার’ বলা হয়।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”