
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামান। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে তাঁর গুলশানের বাসভবনে গিয়েছিলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) রাতে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনে যান সেনাপ্রধান।
বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, সেনাপ্রধান রাত সাড়ে ৮টার দিকে খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় যান। তিনি প্রায় ৪০ মিনিটের মতো সেখানে অবস্থান করেন এবং খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন। সেনাপ্রধান দোয়া করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।
তিনি আরও জানান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহি আকবর সেনাপ্রধানকে স্বাগত জানান। এ সময় সেনাপ্রধানের সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী সারাহনাজ কামালিকা রহমান ছিলেন।
৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস, হৃদ্রোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।
চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার লন্ডনে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে যাওয়ার দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামান। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে তাঁর গুলশানের বাসভবনে গিয়েছিলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) রাতে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনে যান সেনাপ্রধান।
বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, সেনাপ্রধান রাত সাড়ে ৮টার দিকে খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় যান। তিনি প্রায় ৪০ মিনিটের মতো সেখানে অবস্থান করেন এবং খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন। সেনাপ্রধান দোয়া করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।
তিনি আরও জানান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহি আকবর সেনাপ্রধানকে স্বাগত জানান। এ সময় সেনাপ্রধানের সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী সারাহনাজ কামালিকা রহমান ছিলেন।
৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস, হৃদ্রোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।
চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার লন্ডনে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে যাওয়ার দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।