
প্রতিবেদক, বিডিজেন

প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আতিক মোর্শেদের বিরুদ্ধে নিজ স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা জুঁইকে ডাকবিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা নগদের উচ্চপদে নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আতিক মোর্শেদ ও তাঁর স্ত্রীর জাকিয়া সুলতানা জুঁইকে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার (২ জুন) তলব করেছে দুদক। সংস্থার মহাপরিচালক আক্তার হোসেন রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আতিক মোর্শেদের বিরুদ্ধে নগদের ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। আতিক মোর্শেদ সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামেরও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ছিলেন। এ নিয়ে সম্প্রতি দৈনিক মানবজমিনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
অর্থ আত্মসাৎ ছাড়াও আতিকের বিরুদ্ধে নিজের স্ত্রীসহ কয়েকজন আত্মীয়কে নগদের উচ্চপদে নিয়োগের অভিযোগও উঠেছে।
আতিকের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি নগদের কোনো কর্মকর্তা না হয়েও সেখানে অফিস করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে রোববার নগদে অভিযান পরিচালনা করে দুদক। এ সময়, কাগজপত্র বিশ্লেষণ করে জাকিয়া সুলতানা জুঁইকে নিয়োগের ব্যাপারে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায় বলে জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক। এ কারণে সোমবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকেই তলব করেছে সংস্থাটি।
এদিকে আতিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। শনিবার নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত কর্মকর্তার [আতিক মোর্শেদ] বিরুদ্ধে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট এবং স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এসেছে। কাজটা ঠিক হয়নি, এটা আমি বিনাবাক্যে স্বীকার করছি। তাকে প্রচণ্ড রকম বকাবকিও করেছি। উনার বউকে চাকরি দেওয়ার বিষয়টি আমি তদন্তের ব্যবস্থা করেছি, নির্দেশনা দিয়েছি। নগদের অ্যাক্টিং সিইও এই বিষয়ে প্রেস রিলিজে বলবেন।’
আরও পড়ুন

প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আতিক মোর্শেদের বিরুদ্ধে নিজ স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা জুঁইকে ডাকবিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা নগদের উচ্চপদে নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আতিক মোর্শেদ ও তাঁর স্ত্রীর জাকিয়া সুলতানা জুঁইকে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার (২ জুন) তলব করেছে দুদক। সংস্থার মহাপরিচালক আক্তার হোসেন রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আতিক মোর্শেদের বিরুদ্ধে নগদের ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। আতিক মোর্শেদ সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামেরও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ছিলেন। এ নিয়ে সম্প্রতি দৈনিক মানবজমিনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
অর্থ আত্মসাৎ ছাড়াও আতিকের বিরুদ্ধে নিজের স্ত্রীসহ কয়েকজন আত্মীয়কে নগদের উচ্চপদে নিয়োগের অভিযোগও উঠেছে।
আতিকের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি নগদের কোনো কর্মকর্তা না হয়েও সেখানে অফিস করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে রোববার নগদে অভিযান পরিচালনা করে দুদক। এ সময়, কাগজপত্র বিশ্লেষণ করে জাকিয়া সুলতানা জুঁইকে নিয়োগের ব্যাপারে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায় বলে জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক। এ কারণে সোমবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকেই তলব করেছে সংস্থাটি।
এদিকে আতিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। শনিবার নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত কর্মকর্তার [আতিক মোর্শেদ] বিরুদ্ধে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট এবং স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এসেছে। কাজটা ঠিক হয়নি, এটা আমি বিনাবাক্যে স্বীকার করছি। তাকে প্রচণ্ড রকম বকাবকিও করেছি। উনার বউকে চাকরি দেওয়ার বিষয়টি আমি তদন্তের ব্যবস্থা করেছি, নির্দেশনা দিয়েছি। নগদের অ্যাক্টিং সিইও এই বিষয়ে প্রেস রিলিজে বলবেন।’
আরও পড়ুন
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।