
প্রতিবেদক, বিডিজেন

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কুয়েতের আকাশপথ বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সেখানে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ব্যবহার করে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া কথা জানিয়েছে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস।
গতকাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দূতাবাসের কাউন্সেলর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রবাসীদের ‘ধৈর্য ধারণ’ করার আহ্বান জানিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জরুরি প্রয়োজনে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক প্রবাসীদের জন্য সৌদি আরবের দাম্মাম ও কাইসুমা বিমানবন্দর ব্যবহার করে বিকল্প রুট চালুর কাজ চলছে।
ইতিমধ্যে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) কুয়েত এয়ারওয়েজকে দাম্মাম হয়ে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে।
তবে সৌদি আরবে প্রবেশের জন্য ট্রানজিট ভিসা বা বিশেষ অনুমতি প্রয়োজন হবে। সেই প্রক্রিয়া সহজ করতে দূতাবাস কুয়েত এয়ারওয়েজ, জাজিরা এয়ারওয়েজ ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
জাজিরা এয়ারওয়েজ ইতিমধ্যে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় যাত্রীদের বাসে করে কুয়েত-সৌদি সীমান্ত পার করে কাইসুমা বিমানবন্দর থেকে শ্রীলঙ্কা, ভারত ও পাকিস্তানে পৌঁছে দিচ্ছে।
কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্যও একই ব্যবস্থা করতে দূতাবাস সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোকে অনুরোধ জানিয়েছে।
এ ছাড়া, যাদের জরুরি ভিত্তিতে যাতায়াত প্রয়োজন, তাদের জন্য স্থলপথে সৌদি আরব হয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য ট্রানজিট ভিসার ব্যবস্থা করতে ‘বিশেষ উদ্যোগ’ নেওয়ার কথা জানিয়েছে দূতাবাস।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কুয়েতের আকাশপথ বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সেখানে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ব্যবহার করে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া কথা জানিয়েছে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস।
গতকাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দূতাবাসের কাউন্সেলর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রবাসীদের ‘ধৈর্য ধারণ’ করার আহ্বান জানিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জরুরি প্রয়োজনে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক প্রবাসীদের জন্য সৌদি আরবের দাম্মাম ও কাইসুমা বিমানবন্দর ব্যবহার করে বিকল্প রুট চালুর কাজ চলছে।
ইতিমধ্যে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) কুয়েত এয়ারওয়েজকে দাম্মাম হয়ে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে।
তবে সৌদি আরবে প্রবেশের জন্য ট্রানজিট ভিসা বা বিশেষ অনুমতি প্রয়োজন হবে। সেই প্রক্রিয়া সহজ করতে দূতাবাস কুয়েত এয়ারওয়েজ, জাজিরা এয়ারওয়েজ ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
জাজিরা এয়ারওয়েজ ইতিমধ্যে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় যাত্রীদের বাসে করে কুয়েত-সৌদি সীমান্ত পার করে কাইসুমা বিমানবন্দর থেকে শ্রীলঙ্কা, ভারত ও পাকিস্তানে পৌঁছে দিচ্ছে।
কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্যও একই ব্যবস্থা করতে দূতাবাস সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোকে অনুরোধ জানিয়েছে।
এ ছাড়া, যাদের জরুরি ভিত্তিতে যাতায়াত প্রয়োজন, তাদের জন্য স্থলপথে সৌদি আরব হয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য ট্রানজিট ভিসার ব্যবস্থা করতে ‘বিশেষ উদ্যোগ’ নেওয়ার কথা জানিয়েছে দূতাবাস।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো দেশ ভিসা দেওয়ার শর্ত হিসেবে আবেদনকারীর কাছে আর্থিক গ্যারান্টি বা ফেরতযোগ্য সিকিউরিটি ডিপোজিট চাইলে ব্যাংকগুলো এখন সেই অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে। এ জন্য আবেদনকারীর নামে আন্তর্জাতিক বা ভার্চুয়াল কার্ড ইস্যু করা যাবে, যেখানে প্রয়োজনীয় অর্থ আগে থেকেই জমা করা থাকবে।
বৈঠকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন সম্প্রসারণের বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও ভাষাগত পারদর্শিতা অর্জনের পাশাপাশি নিয়মিত অভিবাসন প্রক্রিয়াকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
কর্মশালায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউনেসকোর প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান ড. সুসান ভাইজ। তিনি বলেন, “এই কর্মশালা শুধু ঝুঁকি চিহ্নিত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং বিদ্যমান সক্ষমতা, ব্যবস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো কতটা কার্যকরভাবে এসব ঝুঁকি মোকাবিলা করতে পারে, তা বোঝার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
গেইল এইচ মার্টিন বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশের শ্রমবাজারে প্রবেশ করা ২০ লাখেরও বেশি তরুণের কারিগরি জ্ঞান ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো দেশ ভিসা দেওয়ার শর্ত হিসেবে আবেদনকারীর কাছে আর্থিক গ্যারান্টি বা ফেরতযোগ্য সিকিউরিটি ডিপোজিট চাইলে ব্যাংকগুলো এখন সেই অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে। এ জন্য আবেদনকারীর নামে আন্তর্জাতিক বা ভার্চুয়াল কার্ড ইস্যু করা যাবে, যেখানে প্রয়োজনীয় অর্থ আগে থেকেই জমা করা থাকবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
কর্মশালায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউনেসকোর প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান ড. সুসান ভাইজ। তিনি বলেন, “এই কর্মশালা শুধু ঝুঁকি চিহ্নিত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং বিদ্যমান সক্ষমতা, ব্যবস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো কতটা কার্যকরভাবে এসব ঝুঁকি মোকাবিলা করতে পারে, তা বোঝার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে